দেশে রাসায়নিক সারের উৎপাদন বাড়ানো এবং আমদানিনির্ভরতা কমাতে বন্ধ সার কারখানাগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি।
২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সংকটের কারণে যমুনা সার কারখানার উৎপাদন দীর্ঘদিন ব্যাহত হয়েছে। একই কারণে আশুগঞ্জ সার কারখানায়ও দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এ পরিস্থিতিতে দেশের সার উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সরবরাহব্যবস্থা আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কমিটি বন্ধ সার কারখানাগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে। পাশাপাশি পুরোনো কারখানাগুলো আধুনিকায়নের মাধ্যমে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়া সারের মজুত ও বিতরণব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল রিয়েল-টাইম মনিটরিং চালুর পরিকল্পনা এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দেশে সার উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হলে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহে সহায়তা করতে পারে। তবে নভেম্বরে তিনটি কারখানা চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।