বাংলাদেশে নারীর অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী নারী। আরও আনন্দের সংবাদ, বর্তমান িস্পকার নারী। তিনি কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সভাপতি। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় অর্জন। আশা রাখি, ভবিষ্যতে দেশের প্রধান বিচারপতিও হবেন নারী।
২০ বছর আগে ‘নারীর চোখে বিশ্ব দেখুন’ স্লোগান নিয়ে বেইজিংয়ে সম্মেলন হয়েছিল। তখন ভোরের কাগজ–এ ছিলাম। মনে আছে, দীর্ঘদিন এ বিষয়ে লেখালেখি করেছি। কোনো সন্দেহ নেই, গত ২০ বছরে দেশের নারীরা অনেক সামনে এসেছেন। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বাংলাদেশের নারীদের ব্যাপক সামাজিক উন্নয়নের কথা বলেন।
তা ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মাতৃমৃত্যুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এসব অর্জন সত্ত্বেও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ, মতপ্রকাশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীনতা, নারীর ক্ষমতায়নসহ আরও অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। এখন প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় ৯৮ শতাংশ শিশু ভর্তি হচ্ছে। দেশের দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে। সাড়ে সাত লাখ নারী প্রতি মাসে ভাতা পাচ্ছেন। এসবই আমাদের অর্জন।
দেশের সব ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নের সুযোগ করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি বলেছেন, ‘দেশের বিভিন্ন অর্জনে নারীরা যেভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, ঠিক সেভাবেই বর্তমান ছাত্রীরা দেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে। সেই ধারা অব্যাহত থাকবে।
নাছিম বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন অর্জনে নারীরা যেভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, ঠিক সেভাবেই বর্তমান ছাত্রীরা দেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে। সব ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়নের সুযোগ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করি।’
‘তাই তারা যেনো জঙ্গিবাদে আকৃষ্ট হয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে’, যোগ করেন আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
নারীর ক্ষমতায়ন: যুগে যুগে বেচে থাকবে শেখা হাসিনা সরকার দ্বারা ।