ভোলার মনপুরার মহিষের কাঁচা দুধের টক দইয়ের খ্যাতি দেশজুড়ে। সেই টক দই খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন শতাধিকের ওপরে লোকজন। এর মধ্যে ২৭ জনের অবস্থা বেগতিক হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
আরও পড়ুন - ডেঙ্গু কেড়ে নিলো আরও ৭ প্রাণ, ভর্তি ২৫১ জন
শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ জন। এ ছাড়া হাসপাতালে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিয়ে নিজ বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে।

অনেকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. খালিদ হাসান তামিম।তিনি জানান, টক দইয়ের মধ্যে বিষাক্ত জীবাণু ছিল, সেই বিষাক্ত জীবাণু মিশ্রিত দই খেয়ে সবার ডায়রিয়া ও জ্বর হয়। যাদের অবস্থা খারাপ ছিল সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে ভয়ের কিছু নেই।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা জানান, শুক্রবার রাতে টক দই খাওয়ার পরই পেটে ভীষণ ব্যথা শুরু হয়। পরে ডায়রিয়া শুরুর পাশাপাশি প্রচণ্ড জ্বর অনুভূত হয়। তখন হাসপাতালে এলে চিকিৎসকরা ভর্তি করে চিকিৎসা দেন।
আরও পড়ুন - ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু
এ ব্যাপারে মনপুরা থানার ওসি মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনে রাতে হাসপাতালে রোগী দেখতে যাই। অসুস্থ সবাই টক দই খেয়ে এই অবস্থা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। টক দই কারিগরদের ডেকে বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জহিরুল ইসলাম জানান, শনিবার সকালে টক দই খেয়ে অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে দেখতে যাই। চিকৎসকদের পরামর্শ নিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইসময়/ইস/এমআরএম