বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডাকা তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচির আজ প্রথম দিনের অবরোধে ভোলায় তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। সকাল থেকে নৌ-পথ ও সড়ক পথের সকল রুটের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। কোথায়ও কোনো অপৃতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সকাল ৭টা থেকে ভোলা বীর শ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস টার্মিনাল থেকে সকল রুটের বাস ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। জরুরী ঔষুধ সরবরাহকারী কাভার্ডাভ্যান, অটোরিকশা সহ সকল ধরনের যানবাহন স্বাভাবিক ভাবেই চলাচল করছে। অবরোধের পক্ষে কোথাও কোনো পিকেটিং প্রতিবন্ধকতা করতে দেখা যায়নি। ভোলা ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে ভোলা লক্ষীপুর ও ভোলা ঢাকা এবং ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট থেকে সকল রুটের নৌ-চলাচল স্বাভাবিক ছিলো। এছাড়া বরিশাল ভোলা ও লক্ষীপুর রুটের ফেরি চলাচল ও স্বাভাবিক রয়েছে।
আরও পড়ুন- হরতাল ও অবরোধ দ্রব্যমূল্য আরো বাড়াচ্ছে, মোমিন মেহেদী
অবরোধের বিষয়ে ভোলা জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের ডাকা অবরোধে ভোলার যানবাহন চলাচলে কোন ধরনের প্রভাব পড়নি কোথাও, কোন সমস্যার সম্মুখীন হইনি। অতএব প্রতিদিনের ন্যায় আজও আমাদের বাস স্বাভাবিক নিয়মেই চলছে এবং সামনের দিনগুলো তে ও বাস চলাচল বন্ধ বা সীমিত করার কোন সিদ্ধান্ত নেই আমাদের।
ভোলা বিআইডব্লিউটি এর ভোলা জেলা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, ভোলা-বরিশাল, ইলিশা-লক্ষীপুর ও ভোলা-ঢাকা সহ সকল নৌ-পথের লঞ্চ সার্ভিস যথা নিয়মেই চলাচল করছে।

বিএনপির ডাকা অবরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয় ভোলা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রায়সুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি সারা দেশে সর্বাত্মক অবরোধ বাস্তবায়নে আমরা ভোলা জেলা বিএনপি মাঠে আছি এবং সামনের দিনগুলো তো মাঠে থাকবো।
তবে অবরোধ কর্মসূচিতে কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে প্রশাসনের অবস্থান ছিল চোখের পড়ার মতো। এ বিষয়ে ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তায়, গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ও অবরোধ কর্মসূচিতে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে কেউ না ঘটাতে পারে এজন্য পুরো শহর জুড়ে পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে।
আরও পড়ুন- তহসিলদার আসাদুজ্জামানের অনিয়মই নিয়ম! প্রকাশ্যে ঘুষ, দুর্নীতির মহোৎসব
ইসময়/একে/এমআরএম