সব সময় সব খানে


সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬

১১ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> শিক্ষকদের সম্মিলিত স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ চার দফা দাবিতে রংপুরে ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতাল

>> হাতিয়া বুড়িরচর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ওলামাদলের কেন্দ্রীয় নেতা ফারুক আল ফাহাদ

>> মাও. আহমেদ মাসরুর মডেল মসজিদ ইমাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হওয়ায় দারুল আরকাম শিক্ষক সমিতির শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ

>> সিরাজগঞ্জে ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে কাঁচামাল তৈরির কারখানা উচ্ছেদসহ জরিমানা

আপনি পড়ছেন : রঙ্গরস

বয়স ৩০ হওয়ার আগেই, জেনে নিন বিয়ে-সম্পর্কিত ২০টি টিপস


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-13
বয়স ৩০ হওয়ার আগেই, জেনে নিন বিয়ে-সম্পর্কিত ২০টি টিপস
ফাইল ছবি।

বিয়ে শুধুমাত্র একটি সামাজিক বন্ধন নয়; এটি একটি বৈধ চুক্তি। যা দু’জন মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্কের সূচনা করে। ভালোবাসার সম্পর্ককে সামাজিক এবং আইনি স্বীকৃতি দেয় এই বন্ধন। কিন্তু কবে এই বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া উচিত? বয়স কত হলে বিয়ের সিদ্ধান্তটি উপযুক্ত হয়? এ নিয়ে রয়েছে নানা মতপার্থক্য।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বিয়ে করা শুধু আইনতই নয়, মানসিক ও সামাজিক দিক থেকেও ক্ষতিকর। অল্প বয়সে বিয়ে করলে দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা ও অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে এ সময়ের বিবাহিতদের মধ্যে অসন্তোষ এবং বিচ্ছেদের হার বেশি দেখা যায়।  

গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, ২৫-৩২ বছর বয়স বিয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। এই বয়সে ব্যক্তি মানসিকভাবে পরিপক্ক হন, শিক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে কিছুটা প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন।

মনোবিজ্ঞানী মরগান পেক দেরিতে বিয়ের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, পরিপক্ক বয়সে বিয়ে একজন ব্যক্তিকে দাম্পত্য জীবনে বোঝাপড়া এবং দায়িত্ব পালনে আরও দক্ষ করে তোলে। দেরিতে বিয়ে করা ব্যক্তিদের মধ্যে হতাশা, ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষ এবং বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা তুলনামূলকভাবে কম।

তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক- দাম্পত্য সম্পর্কের ‘স্পার্ক’ বজায় রাখার কিছু ‘ডু অ্যান্ড ডোন্টস’। নিয়মগুলো হলো-

১. প্রেমের টানে নয়, ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব দেখে বিয়ে করুন। কেননা, প্রেমের রসায়ন খুব দ্রুত ফ্যাকাসে হয়ে যেতে পারে। জীবনসঙ্গীর সততা, সহানুভূতি, ধৈর্য- এসবই সংসারে মুখ্য, খুবই জরুরি।

২. ঝগড়া, মনোমালিন্য, কথা-কাটাকাটি, ভিন্নমত- দাম্পত্য সম্পর্কে স্বাভাবিক। এসব কোনো সমস্যা নয়, যতক্ষণ সমস্যা একদিকে আর আপনারা দুজন আরেক দিকে। যদি একজন আরেকজনকে প্রতিপক্ষ মনে করেন, কটু কথা দিয়ে আক্রমণ করেন, আহত করেন, সেটা সমস্যা।

৩. ‘স্কোর’ গুনতে যাবেন না। কে কতটা ভুল করল, কতটা দিল, কতবার পুরোনো কথা তুলল- এসবের হিসাব রাখতে যাবেন না। কেননা, কেবল দাম্পত্য সম্পর্কই নয়, পৃথিবীর কোনো সম্পর্কেই ‘ফিফটি ফিফটি’ বলে কিছু হয় না, কমবেশি থাকবেই।

৪. প্রতিদিন সঙ্গীর মনোযোগ পাওয়ার জন্য কিছু করুন। ফিট থাকুন। সুন্দর পোশাক পরুন। নিজের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রতি মনোযোগী হোন।

৫. মনে রাখবেন, সম্পর্কে সবচেয়ে বড় বাধা হলো অর্থনৈতিক সংকট। অভাব দরজায় এলে ভালোবাসা আদতেই জানালা দিয়ে পালাতে সময় লাগে না।

৬. নিজের অভাব, অভিযোগ, হতাশা বা রাগ সঙ্গীর ওপর ঝাড়বেন না। আপনার সঙ্গী আপনার থেরাপিস্ট নন। সঙ্গীর সঙ্গে সুন্দরভাবে কথা বলুন।

৭. ভালোবাসার সঙ্গে যদি সম্মান না থাকে, তাহলে বুঝবেন, খুব দ্রুতই ভালোবাসা অবসরে যেতে চলেছে।

৮. একজন আরেকজনকে ‘ডেট করা’ কখনোই বন্ধ