সব সময় সব খানে


শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬

৯ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
৯ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> শিক্ষকদের সম্মিলিত স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ চার দফা দাবিতে রংপুরে ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতাল

>> হাতিয়া বুড়িরচর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ওলামাদলের কেন্দ্রীয় নেতা ফারুক আল ফাহাদ

>> মাও. আহমেদ মাসরুর মডেল মসজিদ ইমাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হওয়ায় দারুল আরকাম শিক্ষক সমিতির শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ

>> সিরাজগঞ্জে ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে কাঁচামাল তৈরির কারখানা উচ্ছেদসহ জরিমানা

>> ই-সময়ের সাব এডিটর আরিফের দাদী আর নেই।

>> বিএনপি করার কারণে চাকরি হারানো চাকরি ফেরত চান ইব্রাহিম মোল্লা

>> প্রতিবন্ধী শিশুর বঞ্চিত শৈশব

>> সিরাজগঞ্জে কাদাই যমুনা সেতু দাখিল মাদ্রাসার এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

আপনি পড়ছেন : সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জে ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে কাঁচামাল তৈরির কারখানা উচ্ছেদসহ জরিমানা


ওয়াসিম সেখ, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

eshomoy.com || 2026-10-17 19:20
সিরাজগঞ্জে ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে কাঁচামাল তৈরির কারখানা উচ্ছেদসহ জরিমানা
ট্যানারির বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ট্যানারির বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে কাঁচামাল তৈরির একটি কারখানার সব স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় কারখানার মালিক মো. রবিউল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার টাকা আদায় করা হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) উপজেলার ঝাঐল এলাকায় মরিয়ম চামড়া ও কয়েল ফ্যাক্টরিতে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. রবিউল ইসলামসহ কয়েকজন ঢাকার বিভিন্ন ট্যানারি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে ওই কারখানায় নিয়ে আসতেন। পরে সেগুলো আগুনে পুড়িয়ে ও রোদে শুকিয়ে শিট কাগজ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ঢাকায় বিক্রি করতেন। এ ছাড়া এসব বর্জ্য কয়েলের কাঁচামাল হিসেবেও বিক্রি করা হতো বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্জ্য রোদে শুকানোর সময় এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ত। এতে আশপাশের বাসিন্দাদের ভোগান্তি পোহাতে হতো। এ পরিস্থিতিতে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে কারখানাটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০২২-এর ১২ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৭ ধারা অনুযায়ী কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে স্কেভেটর দিয়ে কারখানাটির সব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে পরিবেশদূষণমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার শর্তে মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।

মোবাইল কোর্টে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হোসেন। প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম। এ সময় এসআরবি-১২-এর একদল সদস্য অভিযানে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ জানিয়েছে, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।