প্রথমার্ধে একের পর এক গোল মিসের মহড়ায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধেও একই ধারায় গড়াচ্ছিল খেলা। তাতে মনে হচ্ছিল গোলের দেখা আর পাবে না বাংলাদেশ। এরই মধ্যে রক্ষনভাগের ভুলে ৬৭ মিনিটে গোল খেয়ে বসে বাংলাদেশ। টানা দ্বিতীয় হারের শঙ্কা জাগছিল তখন লাল সবুজের সমর্থকদের মনে। কিন্তু ত্রাতা হয়ে এলেন দলে ফেরা মোরসালিন।
এর আগে প্রথমার্ধে একটি, দুটি নয়, কমপক্ষে তিনটি গোলের সুযোগ মিস করেছে বাংলাদেশ। লাল সবুজের সমর্থকদের হতাশায় ডুবিয়েছেন মোরসালিন-সোহেলরা।
আরও পড়ুন- বাংলাদেশ বনাম লেবানন, পরিসংখ্যানে এগিয়ে কে
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য পরপর কয়েকটি আক্রমণ শাণিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছিল লেবানন। তবে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের নৈপুণ্যতায় জালের দেখা পায়নি তারা। অন্যদিকে হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা প্রথম আক্রমণে উঠে নবম মিনিটে। বাঁ প্রান্ত ধরে আক্রমণে উঠে বক্সে ফাহিমের উদ্দেশে ক্রস নেন মোরসালিন। তবে সেটি দখলে নিতে পারেননি এ ফরোয়ার্ড। বলের নাগাল পেলে গোলের সহজ সুযোগ তৈরি হতো তার সামনে।
১৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে সোহেল রানার নেয়া জোরালো শট এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বেরিয়ে যায়। সাত মিনিট পর কর্নার থেকে জামালের ক্রস গোলমুখে জোরালো হেড নিয়েছিলেন বিশ্বনাথ। তবে সেটি গ্লাভসবন্দী করে নেন লেবাননের গোলরক্ষক।

পরের মিনিটে গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের। বাঁ প্রান্ত ধরে আক্রমণে উঠে বক্সে সোহেলকে পাস দেন মোরসালিন। কিন্তু এ মিডফিল্ডার গোলের উদ্দেশে শট নেয়ার আগেই প্রতিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারের বাধা পড়ে যান। বাংলাদেশ গোলের আরেকটি দারুণ সুযোগ মিস করে ৩৩ মিনিটে। ডান প্রান্ত ধরে আক্রমণে উঠে ফাহিম বক্সে ক্রস নেন মোরসালিনের উদ্দেশে। তবে এ মিডফিল্ডার বল দখলে নিতে ব্যর্থ হন। ৪২ মিনিটে সতীর্থের ক্রস মোরসালিন বক্সে দখলে নিলেও পড়েন অফসাইডের ফাঁদে।
আরও পড়ুন- আবার অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়াল সাকিবের নাম
দুই মিনিট পর আবারো ব্যর্থ মোরসালিন। ডান প্রান্ত থেকে ফাহিমের পাস ঠিক গোল বারের সামনে পেলেও বারের উপরে উড়িয়ে মারেন তিনি। অথচ আলতো ছোঁয়াতেই বল জালে জড়াতে পারতেন তিনি। তার সামনে গোলরক্ষক ছাড়া ছিল না আর কোনো বাধা। তাতে হতাশা নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
ইসময়/একে/এমআরএম