চলতি বছর ব্লকবাস্টার সুপারহিট দুটি সিনেমা উপহার দিয়েছেন বলিউড কিং শাহরুখ খান। অন্যদিকে বর্তমানে ‘ডাঙ্কি’ সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন কিং খান। এরই মধ্যে কিং খানের বাড়িতে এলো দুঃসংবাদ। আইনি জটিলতায় ফেঁসে গেছেন তার স্ত্রী গৌরী খান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গৌরী খানকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরোক্টরেট (ইডি)। মূলত ৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন- শেষ বাজি সিনেমার পোস্টারের নায়কটি কে?
জানা গেছে, লখনৌর একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছিলেন গৌরী খান। এই কোম্পানির বিরুদ্ধে ৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। সেই সূত্রেই কিং খানের স্ত্রী গৌরীকে ইডির পক্ষ থেকে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এই মামলায় ইডি গৌরীকে তলব করতে পারে বলেও জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি গৌরী। এ মামলায় ইডি আধিকারিকরা বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখবেন। যেমন: তুলসিয়ানি গোষ্ঠীর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার জন্য গৌরী কত টাকা পেয়েছিলেন।
এ ধরনের অনেক বিষয়ের স্ক্রুটিনি ইডি কর্তৃপক্ষ করবে। কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর পদের জন্য করা চুক্তি সংক্রান্ত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট নথিগুলোও ইডির মাধ্যমে গৌরীর কাছ থেকে পাওয়া যাবে।

লখনৌতে সুশান্ত গলফ সিটি নামে তুলসিয়ানি গ্রুপের একটি প্রকল্পে ২০১৫ সালে কিরীট যশবন্ত শাহ ৮৬ লাখ টাকায় একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন বলে জানা গেছে।
তবে কোম্পানিটি শাহকে ফ্ল্যাটটি সরবরাহ করেনি বা তারা টাকা ফেরত দেয়নি। এ কারণে শাহ তুলসিয়ানি গ্রুপের পরিচালকদের বিরুদ্ধে (নাম: অনিল কুমার তুলসিয়ানি, মহেশ তুলসিয়ানি, পাশাপাশি ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর গৌরীর বিরুদ্ধে) অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আরও পড়ুন-হার্ট অ্যাটাকের পর কেমন আছেন ‘গোলমাল’ এর নায়ক শ্রেয়স
২০২৩ সালের মার্চে শাহ তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে একটি এফআইআরও দায়ের করেছিলেন। শাহ অভিযোগ করেছেন, ‘আমি একই বছর সুশান্ত গলফ সিটিতে কোম্পানির অফিসে গিয়েছিলাম এবং এর পরিচালকদের সঙ্গে দেখা করেছিলাম এবং ৮৬ লাখ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট কিনতে রাজি হয়েছিলাম।
আমাকে আশ্বাস দেয়া হয়েছিল যে আমি ২০১৬ সালে ফ্ল্যাটের দখল পাব। কিন্তু যেহেতু তারপর অনেক সময় পেরিয়ে গেছে এবং আমি ফ্ল্যাটটি পাইনি। পরে আমি জানতে পারি যে আমার বুক করা ফ্ল্যাটের চুক্তিটি কোম্পানি অন্য কাউকে হস্তান্তর করেছে।
ইসময়/একে/এমআরএম