ঢাবির উর্দু বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী কৌশিক হাসান পরশকে মারধর ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী ও ঢাবি ছাত্রলীগের উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক জুলফিকার রহমানের বিরুদ্ধে।
কৌশিক হাসান পরশ বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের অনুসারী। তিনি বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগ নেতা সাকিবুল সুজনের অনুসারী।
ভুক্তভুগী জানান তিনি এবং তার বান্ধবী দোয়েল চত্বরে যাওয়ার সময় রাজু ভাস্কর্যের পেছনে পৌঁছালে বঙ্গবন্ধু হলের পালি ও বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী জুলফিকার ও ও তার সাথে থাকা দুজন ভুক্তভুগীর রিকশা আটকান।ভুক্তভুগী কে হাসাহাসির অভিযোগ তুলে পরিচয় জিজ্ঞেস করেন।
একপর্যায়ে তারা ভুক্তভুগীকে জোর পূর্বক টিএসসির ৩ নং গেটের দিকে নিয়ে যায়।পরে তাকে জোরে জোরে কিল ঘুষি মারতে থাকে। ঘুষির আঘাতে ভুক্তভুগীর নাক ফেটে যায়। ভুক্তভুগী কৌশিক হাসান পরশ ই -সময়কে বলেন জুলফিকার রহমান তার বান্ধবীকে ধাক্কা দিয়ে ঘড়িটা তার হাতে নিয়ে নেয়।আমি এবং আমার বান্ধবী তার কাছে ভুল স্বীকার করতে চাইলে জুলফিকার ও তার সহযোগীরা আবার ও বেধড়ক মারধর করেন। মারধরের একপর্যায়ে আমি জুনিয়র নিয়ে কেন দাড়িয়ে আছি সেই অভিযোগ তুলে জুলফিকার রহমান ও তার সাথে থাকা সহযোগীরা আমাদেরকে ৩য় দফায় আবার মারধর করে। পরে আমার পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে নিয়ে নেয়।যেখানে আমার পরিচয়পত্র সহ নগত ৭ হাজার টাকা ছিল।।আমি যেন পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করি সেজন্য তিনি আমাকে প্রাণনাশের ও হুমকি দেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভুগী পরশ প্রক্টর বরাবর অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন।
তবে ছিনতাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত জুলফিকার বলেন , আমি আগামীকাল প্রক্টর অফিসে অভিযোগ করবো। তারাই আমাকে মারধর করেছে। প্রথমে তার সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। পরে সেখানেই ঘটনা শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সে তার সাথে আরও ১০-১২ জন লোক নিয়ে এসে আমাকে মারধর করেছে।