বঙ্গোপসাগরে বরগুনার একটি মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে মাছসহ প্রায় ১২ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাত সদসরা।
আরও পড়ুন- অটোরিকশা চালক হত্যাকান্ডে ৫ জনকে গ্রেফতার
রবিবার (২৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে নয়টার দিকে বলেশ্বর নদীর মোহনা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতির শিকার হওয়া ট্রলারটির নাম এফবি রুনা। ডাকাতির সময় জেলেদের মারধর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারটির মালিক কামাল খান। এ ঘটনায় পাথরঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি।

কামাল খান জানান, গত ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার ভোররাতে পাথরঘাটা থেকে ১২ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ শিকার করতে যায় এফবি রুনা নামের ট্রলারটি। মাছ শিকার শেষে রবিবার দুপুরে দিকে মাছ নিয়ে সমুদ্র থেকে পাথরঘাটার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে ট্রলারটির জেলেরা। রাত সাড়ে আটটার দিকে কুয়াশার কারণে বলেশ্বর নদীর মোহনা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নোঙর করে ট্রলারটি।
আরও পড়ুন- লোকো মোটিভের ধাক্কায় টেম্পু খাদে, আহত ৩
এরপর রাত নয়টার দিকে অন্য একটি ট্রলার নিয়ে ২০ থেকে ২২ জনের একটি ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রসহ এফবি রুনা নামের ট্রলারে হামলা চালায়। এরপর জেলেদের মারধর করে আড়াই হাজার পিস ইলিশসহ প্রায় পাঁচ লাখ টাকা সমমূল্যের বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, সাড়ে চার লাখ টাকা সমমূল্যের জাল, জেলেদের ব্যবহৃত ১১টি মোবাইল ফোনসহ ট্রলারে থাকা রশদসামগ্রী লুট করে নিয়ে যায় তারা। এসময় ট্রলারটির মেশিনটি পিটিয়ে বিকল করে দিয়ে যার ডাকাত সদস্যরা।
পরে অন্য আরেকটি ট্রলারের সহযোগিতা সোমবার বেলা ১১টার দিকে পাথরঘাটা আসে এফবি রুনা নামের ট্রলারটি। এসময় বিষয়টি আমি জানতে পারি। জেলেদের মোবাইল লুট করে নিয়ে যাওয়ার কারণে তারা আমাকে বিষয়টি এর আগে জানাতে পারেননি। এ ঘটনায় আমি পাথরঘাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।
আরও পড়ুন- ঢাকায় ফিরলেন পিটার হাস
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ আলম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলেদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। ডাকাত সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আমরা কাজ শুরু করেছি।
ইসময়/রআ/এমআরএম