শীত কালিন সবজি বলতে প্রথমেই মাথায় আসে বাঁধাকপির নাম। নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই বাঁধাকপি বহু বছর থেকে চাষ হয়ে আসছে। বাঁধাকপি কাঁচা, রান্না ও শুকিয়ে তিন ভাবেই খাওয়া যায়। এর পুষ্টিগুণও খাওয়ার পদ্ধতির উপর অনেকটা নির্ভর করে।
আরও পড়ুন - চিয়া সিডেরও কি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে? আজ জানবো সেই সম্বন্ধে
এমনই সবজি চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন বগুড়ার ধুনট উপজেলার কৃষক আজিজুল খান। তিনি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বাধাকপি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। বিগত বছরের মত এবারও তিনি ১ বিঘা জমিতে বাধা কপি চাষ করেছেন।

প্রতিবারের তুলনায় এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। তিনি জানান, গত টানা ৪/৫ বছর ধরে বাধাকপি চাষ করে আসতেছি। প্রতিবারই বাধা কপি চাষে আমি অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হয়েছি।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলন বেশি ভালো হয়েছে। আমি আশাবাদি বাজার যত নিম্নমুখী হোক না কেন, লোকসানে পড়তে হবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, বাধা কপি চাষে প্রথম দিকে জমি প্রস্তুত সহ চারা লাগানোর পরে খুব একটা পরিচর্যা করতে হয় না।
আরও পড়ুন - ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেল আরও ২ জনের
তবে কীটনাশক প্রয়োগ একটু বেশি করতে হলেও উর্বর মাটিতে খুব একটা করতে হয় না। ফলে খরচও কম হয়। তাই এবার যদি বাজারে দাম কমও হয় তবে জমিতে যে ফলন হয়েছে তাতে খরচ উঠে মোটামুটি ভালো লাভের মুখ দেখতে পাবো।
বাঁধাকপির চাহিদা বরাবরই রয়েছে। গবেষণায় জানা গেছে, বাঁধাকপি বিশেষ ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। বাঁধাকপি কাঁচা, আধা সেদ্ধ, ভাপা, ভাজা, এমনকি কুচি কুচি করে কেটে রোদে শুকিয়ে বয়ামে ভরে রাখলে খাওয়া যায় বছর ব্যাপী।
আরও পড়ুন - হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শ
আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণে বাঁধাকপি হয়। তাই পুষ্টির জন্য আমরা বেশি বেশি করে খেতে পারি এই সবজি। শীতকাল জুড়ে রাখতে পারি সালাদে। আর এই বাঁধাকপি দিয়ে নানা ধরনের পদের রেসিপিও রান্না হয়ে থাকে।
ইসময়/রস/এমআরএম