বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা চরদুয়ানী বাজারে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে ৪৩ টি ঘর, যার ক্ষতির পরিমান প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা। এ খবর নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকনুজ্জামান খান।
২৫ অক্টোবর রোজ বুধবার দুপুর ১টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলা চরদুয়ানী ইউনিয়ন বাজারে অঞ্জন গার্মেন্টস থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে জানা যায়।
ঠিক দুপুরের দিকে যখন নিরিবিলি সময় তখন বাজার আগুন লাগে এতে ৪৩ জন ব্যবসায়িক ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন-কাইটাইল ইউনিয়নের শারদীয় দুর্গাপূজা পরিদর্শন ও অর্থ প্রদান
আগুন নিয়ন্ত্রণে পাথরঘাটা ফায়ার সার্ভিসের টিমের সাথে মঠবাড়িয়া, বামনা ফায়ার সার্ভিসহ ৫টি ইউনিটের সাথে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় প্রায় চার ঘন্টায় প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
চরদুয়ানী বাজারে সবচেয়ে বড় দোকান প্যারেন্টস মেডিকেল হল, শিপন, শুভঙ্কর ও নূরনবী মোল্লার দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে এখানে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আগুনে পুড়ে গেছে যাদের দোকান তাদের মধ্যে রয়েছে নূর নবী মোল্লা ,শিপন, অঞ্জন, শুভঙ্কর ,নয়ন ফার্মেসি , আনোয়ার এর মাছের গদি, সজিবের ফলের দোকান, আবু হানিফের মুরগির দোকান, সুমনের মুদির দোকান, বাদশা মিয়ার হার্ডওয়ারের দোকান কামালের দোকান, আরিফের মুদির দোকান, সালাউদ্দিন এর মুদির দোকান, মুচি পট্টির চার থেকে পাঁচটি দোকানসহ ৪৩ টি ব্যবসায়ী দোকানপাট পুড়ে ছাই।
আগুন নিয়ন্ত্রণ সরাসরি উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা এডিশনাল এসপি মোঃ আবু সালেহ, পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকনুজ্জামান, পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা গোলাম কবির,চরদুয়ানী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রহমান জুয়েল , পাথরঘাটা ভূমি সহকারী মোঃ সালমান, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম হাওলাদার, তদন্ত ওসি মোঃ সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বরগুনা জেলা পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল সহ পাথরঘাটার উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে যাদের ফ্যামিলি বাসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরকে পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা দিয়েছেন এবং স্থানীয় সাংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমন, প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের খোঁজখবর নিয়েছেন।
আরও পড়ুন-মদনে চালকল বন্ধে সরকারি খাদ্য গুদামের খাতা সচল
ইসময়/একে/এমআরএম