দেশের সেনাবাহিনী এখন বৈশ্বিক মানে উন্নীত হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ছাড়া সম্ভব হতো না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন- নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হতে ইইউসহ চার সংস্থার আবেদন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের পর দেশে গণতান্ত্রিক ধারাই ছিল না। তবে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। আমরা দেশের মানুষের জন্য উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে চাই। দেশের এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি বা এগিয়ে চলা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না৷
জ্বালা-পোড়াওয়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ পুড়িয়ে মারা কেমন আন্দোলন, আমার বোধগম্য নয়৷ জনগণের লাশের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় বসার এ কেমন মানসিকতা? মানুষ যখন স্বস্তিতে ছিলো, তখন সহিংসতা, হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি মানুষের জীবনকে শঙ্কায় ফেলে দিয়েছে৷ আমার আশা, যারা এসব করছে, তারা গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে৷

সেনা সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না৷ কিন্তু সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আঘাত এলে যাতে প্রতিহত করা যায়, সেই প্রস্তুতি রাখতে হবে।
আরও পড়ুন- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো মানুষ পুড়িয়ে মারা হচ্ছে- প্রধানমন্ত্রী
এ সময় তিনি জানান, জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বেশি সংখ্যক নারী সেনা বাংলাদেশ থেকে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন৷
ইসময়/একে/এমআরএম