সব সময় সব খানে


শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঈগলের এজেন্ট ঢুকতে দিবো না চেয়ারম্যান মুজিব


এম মনির চৌধুরী রানা

eshomoy.com || 2024-01-06 16:57:45
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঈগলের এজেন্ট ঢুকতে দিবো না চেয়ারম্যান মুজিব

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঈগল প্রতীকের কোনো এজেন্ট কেন্দ্রে ঢুকতে দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছেন চাম্বল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী।

মঙ্গলবার উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নে নৌকার পক্ষে এক নির্বাচনী সভায় তিনি এই হুমকি দেন। এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং জেলা পুলিশকে অভিযোগ করেন চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান।এর আগে চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে হুমকি দিয়ে সমালোচিত হন। 

আরও পড়ুনঃ কোনো আসনের প্রার্থী প্রত্যাহার করবে না জাপা- চুন্নু


এ ছাড়া গত বছর ইউপি নির্বাচনের সময় তিনি ইভিএমে নিজে টিপ মেরে জনগণের ভোট নিয়ে ফেলবেন বলে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর চাম্বল ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা ও হয়। মঙ্গলবার ছনুয়াতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর পক্ষে এক নির্বাচনী সভায় প্রকাশ্যে ঈগলের এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেবেন না বলে হুমকি দেন মুজিবুল হক।

মুজিব তাঁর বক্তব্যে চট্টগ্রামের ভাষায় বলেন, 'এজেন্ট ঢুকতে দেব না। বুঝতে পারবি বাঁশখালীর মুজিব চেয়ারম্যান কী জিনিস। তাঁর বক্তব্যের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর এই বক্তব্যের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান।

অভিযোগে বলা হয়, তাঁর এই বক্তব্যের কারণে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এটা নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। হুমকির প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমানের পক্ষে আজ বেলা তিনটায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে তাঁর প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী আবদুর রাজ্জাক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, 'মুজিব চেয়ারম্যান অন্যায় করতে করতে এমন অবস্থায় পৌঁছেছেন যে তিনি মনে করেন তাঁর বিরুদ্ধে কেউ ব্যবস্থা নিতে পারবে না। তাই বারবার অন্যায় করে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ শত আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী, হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

এখন নির্বাচনী এলাকায় প্রকাশ্যে হুমকি এবং উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে চলেছেন তিনি।' সাংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মুজিবুর রহমানের সমর্থনকারী আওয়াল হোসেন ও রাহুল দাশ। এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বেলা তিনটায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফায়েল আহমেদ বলেন, ছনুয়া ইউনিয়নে এক নির্বাচনী সভায় মুজিবুল হক চেয়ারম্যান এ রকম একটা বক্তব্য দিয়েছেন।

তাঁর ভিডিও আমার কাছে আছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগে মুজিবের বিরুদ্ধে একটা মামলাও হয়েছে মঙ্গলবার। বক্তব্যের বিষয়ে জানতে মুজিবুল হক চৌধুরীকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এদিকে চেয়ারম্যান মুজিবের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে একটা প্রতিবেদন দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।


 তাতে মুজিবের অতীত কর্মকাণ্ড এবং সাম্প্রতিক উসকানিমূলক বক্তব্য তুলে ধরা হয়। তাতে বলা হয়, মুজিবের বক্তব্যটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যাচ্ছে। এর ফলে সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে জনমনে ভীতি সঞ্চার হয়েছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।

আরও পড়ুনঃ যে ৩৭ আসন ছাড়ছে আওয়ামী লীগ

তার এ ধরনের বক্তব্যে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে আমাকে। এর ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।