সব সময় সব খানে


সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : অর্থনীতি

চিনির দাম না কমার কারণ জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক

eshomoy.com || 2023-11-25 17:49:15
চিনির দাম না কমার কারণ জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আমদানি নির্ভর চিনির শুল্ক কমানোর পরও ডলারের দাম বেশি থাকায় বাজারে নিত্যপণ্যটির দাম কমেনি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

শনিবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির যৌথ উদ্যোগে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ বিষয়ক ছায়া সংসদের গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন- ৫৯৫ টাকায় গরুর মাংস কিনতে দীর্ঘ লাইন
 
চিনির আমদানি শুল্ক কমানোর পরও দাম না কমার বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ডলারের মূল্য আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। যেসব পণ্য আমদানি করতে হয়, সেগুলো আন্তর্জাতিক বাজার বা ডলারের মূল্যের ওপর নির্ভর করে। আমরা চাইলেও সেগুলোর মূল্য নির্ধারণ করে দিতে পারি না। আমরা যেটি পারি সেটি হলো শুল্ক কমাতে। যেমন চিনির দাম কমাতে আমদানি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কিন্তু ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় দামে কোনো প্রভাব পড়েনি, বরং বেড়েছে।

ফলে চিনির আমদানি শুল্ক কমানোর সুফল ভোক্তারা পাননি বলে জানিয়েছেন তিনি।
 
গত ১ নভেম্বর এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন অনুসারে, অপরিশোধিত চিনি আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি টন চিনিতে শুল্ক কমানো হয় ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর পরিশোধিত চিনির ক্ষেত্রে টনপ্রতি আমদানি শুল্ক ৩ হাজার টাকা কমানো হয়।
 
আগে অপরিশোধিত চিনি আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি টনে শুল্ক দিতে হতো ৩ হাজার টাকা। আর পরিশোধিত চিনির ক্ষেত্রে প্রতি টনে শুল্ক ছিল ৬ হাজার টাকা। উভয় ধরনের চিনির আমদানি শুল্ক কমিয়ে অর্ধেক করা হয়।
 
শুল্ক কমানোর এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত চিনির আমদানি শুল্ক ছাড়ের এই সুবিধা কার্যকর থাকবে।


 
আমদানি শুল্কের পাশাপাশি চিনিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক রয়েছে ৩০ শতাংশ। এ ছাড়া আমদানিকারকদের ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। সেই সঙ্গে অগ্রিম আয়কর দিতে হয় ২ শতাংশ।

এদিকে গরুর মাংস আমদানি করার বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় খামারীদের স্বার্থ বিবেচনায় মাংস আমদানির পরিকল্পনা সরকারের নেই। মাংস আমদানি করলে দেশের মানুষকে কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকায় খাওয়ানো সম্ভব। কিন্তু আমরা সবসময় দেশের খামারিদের কথা ভেবেছি যে তারা স্বয়ংসম্পূর্ণ হোক।

আরও পড়ুন- শাহজাদপুরে পোতাজিয়া ইউনিয়নে কর্মসৃজনের কাজে ব্যপক অনিয়ম  

তিনি আরও বলেন, আগে কোরবানির অর্ধেক গরু ভারত থেকে আমদানি করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে একটি গরুও আমদানি করতে হয় না, বরং উদ্বৃত্ত থাকে। এ খাতে অনেক নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। অনেকে চাকরি না করে গরুর খামার দিচ্ছে। দেশের খামারিদের কথা বিবেচনায় আপাতত আমরা মাংস আমদানি করতে চাই না।
 
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে টিপু মুনশি বলেন, ডিমের দাম নির্ধারণ করে দেয়ার পর বাজার নিয়ন্ত্রণে না আসায় যখন আমদানির অনুমতির সিদ্ধান্ত নেয়া হলো, তখন ডিমের দাম কমে গেল। মাত্র ৬২ হাজার ডিম আমদানির পর প্রতি ডজনে আরও ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা কমে গেল। আলুর ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এর মানে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ পণ্য মজুত আছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতি মুনাফার লোভে বাজারজাত করছেন না।
 
পেঁয়াজের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজের চাহিদা, তার চেয়ে প্রায় ৭ লাখ থেকে ৮ লাখ মেট্রিক টন ঘাটতি থাকে। যেটি আমরা ভারত থেকে আমদানি করে থাকি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে কৃষি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়ার জন্য বলা হলেও কৃষকের কথা ভেবে সে অনুমতি দেয়া হয়নি।

পরে যখন আমদানির অনুমতি দেয়া হলো, তখন ভারত আমদানির ওপর ৪০ শতাংশ ট্যারিফ আরোপ করলো। এর কিছুদিন পরেই আবার প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ রফতানি ৮০০ ডলার করে দেশটির সরকার। যে কারণে সরকার নির্ধারিত দাম ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।
 

আরও পড়ুন- কাতার ও সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া সার কিনছে সরকার


সরকার বা সিন্ডিকেট শক্তিশালী নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, জনগণের সিন্ডিকেট সবচেয়ে শক্তিশালী। ভোক্তাদের সচেতন ও প্রতিবাদী হতে হবে। সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হলে কোনো শক্তিই টিকতে পারবে না।
 
এই উদ্যোগ মানুষকে সচেতন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান তিনি।

 

ইসময়/একে/এমআরএম