সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

আপনি পড়ছেন : অর্থনীতি

পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি চলছেই!


নিজস্ব প্রতিবেদক

eshomoy.com || 2023-12-15 21:19:00
পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি চলছেই!

ভারতের রফতানি বন্ধের খবরে অস্থির হয়ে উঠা পেঁয়াজের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছিল দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ। তবে এবার সে বাজারকেও অস্থির করার চেষ্টা করছে একটি মহল। বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অভিযান চালনোর দাবি সাধারণ ভোক্তাদের।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) কেরানীগঞ্জের আগানগর, রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও হাতিরপুল কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়।

আরও পড়ুন- পেঁয়াজের বাজারে ভোক্তার অভিযান, ৪ লাখ টাকা জরিমানা

আর দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা এবং ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  
ক্রেতারা জানান, পেঁয়াজের দাম কিছুটা নাগালের মধ্যে আসতে শুরু করেছিল। তবে অসাধু একটি মহল আবারও বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এদের নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
 
কাজী আক্তারুজ্জামান নামে এক ক্রেতা বলেন, প্রতিবছর এ সময়ে বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসে। সেটি বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। তবে এবার নতুন পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকা কেজিতে।

এর আগে, গত সপ্তাহে ভারতের রফতানি নিষেধাজ্ঞার অজুহাতে পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল করেছিল ব্যবসায়ীরা। সেটি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ।

এবার ব্যবসায়ীরা এই পেঁয়াজের দামও বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ আক্তারুজ্জামানের। তিনি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে। নতুবা অসাধু এ সিন্ডিকেট আবার বাজার নিজেদের দখলে নিয়ে নেবে।
 
আরেক ক্রেতা মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, সরকার চাইলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। গত কয়েকদিনে সেটির প্রমাণ মিলেছে।

নতুন পেঁয়াজ আসার পাশাপাশি সরকার অভিযান পরিচালনা না করলে এতো দ্রুত দাম কমতো না। তবে এ অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। নতুবা আবারও দাম বাড়তে পারে।

আর বিক্রেতারা বলছেন, কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছে। নইলে মুড়িকাটার দাম কেজিতে ১০০ টাকার ওপরে হওয়ার কথা নয়। কেরানীগঞ্জের আগানগর বাজারের বিক্রেতা হাকিম ব্যাপারী জানান,

নতুন পেঁয়াজ আসায় দেশি পুরান ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কমেছে। নয়তো দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে মুড়িকাটা পেঁয়াজেরও দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

হাকিম ব্যাপারীর কথার সত্যতা মিললো রাজধানীর কারওয়ান বাজারে। ফরিদপুর থেকে আসা এক কৃষক জানান, আড়তদারের কাছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন ৭৫ টাকা কেজিতে। তবে আড়তদার সেটি বিক্রি করছে ১০০ টাকায়।
 
এর আগে, গত ৮ ডিসেম্বর স্থানীয় বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণে ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ করে ভারত।

ইকোনোমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মহারাষ্ট্রে অসময়ের বৃষ্টিপাতে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় ভারতে পাইকারি পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

আরও পড়ুন- ২৫০ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কিনে ক্ষোভ ঝাড়লেন ভোক্তার ডিজি

ক্রিসিল এমআইএন্ডএ রিসার্চের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতে পেঁয়াজের দাম নভেম্বরে ৫৮ শতাংশ বেড়েছে। এতে বেড়েছে খাবারে দামও।
 
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে দেশটির সরকার।

তবে এর আগে দাম স্থিতিশীল রেখে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়াতে গত ২৯ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানিতে ন্যূনতম রফতানি মূল্য প্রতি মেট্রিক টনে ৮০০ ডলার আরোপ করা হয়েছিল।
 
এদিকে, রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলেও শর্তসাপেক্ষে পেঁয়াজ রফতানি করা যাবে বলে জানিয়েছে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন- অস্থির পেঁয়াজের বাজারে বড় দরপতন!

বলা হয়, কোনো দেশে পেঁয়াজ রফতানি করতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশের আবেদনের ভিত্তিতে অনুমোদন মিললে তবেই হবে রফতানি

 

ইসময়/একে/এমআরএম