সব সময় সব খানে


মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : বরগুনা

চঞ্চল্যকর হৃদয় হত্যা মামলায় ১৬ কিশোরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা


বরগুনা প্রতিনিধি (ইসময়)

eshomoy.com || 2023-09-26 17:44:30
চঞ্চল্যকর হৃদয় হত্যা মামলায় ১৬ কিশোরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

বরগুনার চঞ্চল্যকর আলোচিত হৃদয় হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। রায়ে ১৬ কিশোর অপরাধীদের মধ্যে ১২ জনকে ১০ বছর ও ৪ জনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর আগে সকাল ৯টায় বরগুনা জেলা কারাগার থেকে ১৬ কিশোরকে আদালতে আনা হয়।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় রায় ঘোষণা করেন শিশু আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জেলা জজ মো. মশিউর রহমান খান। 

আরও পড়ুন- বরগুনায় আন্তঃ ক্যাডার বৈষম্য নিরসনের দাবীতে সংবাদ সন্মেলন

জানা যায়, ২০২০ সালে ২৫ মে ঈদুল ফিতরের দিন বিকেলে বরগুনা সদরের গোলবুনিয়া এলাকায় নোমান কাজী ও ইউনুস কাজীসহ ২৮ জন মিলে প্রকাশ্যে কিশোর হৃদয়কে পিটিয়ে হত্যা করে। পরের দিন নিহত মো. হৃদয়ের মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে বরগুনা থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

বরগুনা থানা পুলিশ ওই বছরের ১৬ নভেম্বর ১৬ জন কিশোর ও ৯ জন প্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিরুদ্ধে পৃথক দুটি চার্জশিট দাখিল করেন। পরে বাদীর নারাজির পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক আরও ৩ কিশোরসহ ১৯ জনের নামে চার্জশিট গঠন করেন। পরে এই মামলায় ১৮ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। 

আজ মঙ্গলবার ১৯ জন অভিযুক্তের রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে ইউনুছ কাজী, রানা আকন, ইমন হাওলাদার, জুয়েল কাজী, নয়ন হাওলাদার, সজিব, নাজমুল শিকদার, রাইয়ান বিন অন্তর অরফে অন্তর, সিফাত ইসলাম, মোশারেফ, সাইফুল মৃধা, রাব্বিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এদের মধ্যে নয়ন হাওলাদার, সিফাত ইসলাম ও মো. সজিব পলাতক রয়েছে। 

এছাড়া সাগর গাজী, সাইফুল কাজী, সোহাগ কাজী ও ফাইজুল ইসলামকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর ৩ আসামি শফিকুল ইসলাম, নাঈম কাজী ও রবিউল ইসলামকে বেখসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

নিহত হৃদয়ের মা ও মামলার বাদী ফিরোজা বেগম বলেন, আমার একমাত্র ছেলে ঈদের দিন ঘুরতে বের হয়েছিল। তাকে আাসামিরা পিটিয়ে হত্যা করে। আমি এ রায়ে খুশি হয়েছি। সবাই আমার মরহুম ছেলের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন ওকে জান্নাতে রাখে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী অপরাধীদের সবোর্চ্চ সাজা প্রদান করেছে বিজ্ঞ আদালত। রায়ে আমরাসহ সাধারণ মানুষ খুশি।

আরও পড়ুন- মদনে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

ইসময়/আরএম/এমআরএম