সব সময় সব খানে


সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : মুক্তমত

সম্পদের প্রতি অগাধ লোভ ছিল শেখ হাসিনার


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-11-27
সম্পদের প্রতি অগাধ লোভ ছিল শেখ হাসিনার
ফাইল ছবি।

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দের প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তৎপরতা স্পষ্ট করে দেয়, সম্পদের প্রতি তাঁর লোভ ছিল

শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্লট বরাদ্দ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার তিন মামলার রায় ঘোষণার সময় আদালত পর্যবেক্ষণে কথা বলেন

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত--এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ পৃথক পৃথকভাবে তিন মামলার রায় ঘোষণা করেন রায়ে প্রত্যেক মামলায় শেখ হাসিনাকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয় একই সঙ্গে এই তিন মামলায় তাঁকে ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় প্রত্যেক মামলায় এক লাখ টাকা করে মোট তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয় জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁকে আরও ছয় মাস করে মোট দেড় বছর কারাভোগের সাজা দেওয়া হয়

রায় ঘোষণার সময় আদালত বলেন, শেখ হাসিনা পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে নিয়মানুযায়ী প্লট বরাদ্দের কোনো আবেদন করেননি কিন্তু প্লট বুঝে নিতে ঠিকই আবেদন করেছিলেন রাজউকের বিধি অনুযায়ী, প্লট বরাদ্দ নিতে হলে অবশ্যই আবেদন করতে হয় আবেদন না করলেও গৃহায়ণ গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজউকের প্লট বরাদ্দবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা শেখ হাসিনাকে প্লট দেওয়ার অনুমোদন দেন

আদালত আরও বলেন, ঢাকায় বাড়ি থাকলেও প্লট বরাদ্দের জন্য বাধ্যতামূলক যে হলফনামা দাখিল করতে হয়, সেই হলফনামায় আসামিরা কিছু উল্লেখ করেননি এমনকি হলফনামা নোটারি পাবলিক অথবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে করার বিধান থাকলেও তা করা হয়নি আইন না মেনে হলফনামা সম্পন্ন করা হয় অন্যদিকে প্লট বরাদ্দের পরপরই তিনি প্লট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য রাজউকে আবেদন করেন ওই আবেদনের সঙ্গেও আরেকটি হলফনামা দাখিল করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী সে ক্ষেত্রেও আইনের বিধিবিধান না মেনেই হলফনামা দাখিল করা হয় আবার নিজের নামে প্লট বরাদ্দ নিয়ে ছেলেমেয়েদের এবং তাঁর বোন শেখ রেহানা তাঁর সন্তানদের নামে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন এতে বোঝা যায়, শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল

রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, শেখ হাসিনার স্বামীর নামে ১৯৭৩ সালে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তা গোপন করে শুধু তাঁর নামে রাজধানীর কোথাও প্লট নেই মর্মে হলফনামা দাখিল করেন তিনি শেখ হাসিনা সাধারণ কোনো নাগরিক নন তাঁর লিগ্যাল অ্যাডভাইজার, মিনিস্টার, অ্যাটর্নি জেনারেল ছিল কিন্তু তিনি কারও পরামর্শ না নিয়ে, আইন না মেনে কাজ করেছেন; যা অপরাধ হিসেবে গণ্য

বিচারক বলেন, আমাদের প্রতিটি সেক্টরে রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি ঢুকে গেছে দুর্নীতিবাজদের পুরস্কৃত করা হয়েছে শেখ হাসিনা প্লট বরাদ্দ না নিলে ওই প্লট অন্য একজন আবেদনকারী পেতেন ফলে শেখ হাসিনা প্রতার