সব সময় সব খানে


মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : অর্থনীতি

বাজারে আলুর কেজি ৬০ টাকা, পেঁয়াজ ১৪০


নিজস্ব প্রতিবেদক

eshomoy.com || 2023-11-01 18:31:00
বাজারে আলুর কেজি ৬০ টাকা, পেঁয়াজ ১৪০

রাজধানীর সবজির বাজারে প্রভাব পড়েনি অবরোধের। তবে আলু ও পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা কমেনি। বর্তমানে আলুর কেজি ৬০ টাকা এবং পেঁয়াজের দাম ঠেকেছে ১৪০ টাকায়।

বুধবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর কারওয়ানবাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, আলু-পেঁয়াজের দাম নিয়ে ক্ষুব্ধ খোদ খুচরা বিক্রেতারাই। তারা ক্রেতাদের বোঝাতে গিয়ে মেজাজ হারাচ্ছেন।

এক খুচরা বিক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, কোল্ড স্টোরেজে প্রচুর পরিমাণে আলু মজুত রয়েছে। সরকার তাদের ধরেন না কেন? তারা কেন বড় বড় ব্যবসায়ীদের ধরেন না? তারাই তো আলু মজুত করে বসে আছেন। 

পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকার কথা জানিয়ে আরেক খুচরা বিক্রেতা বলেন, ‘হিসাব অনুযায়ী, পুরো ঢাকা শহরে দৈনিক ৪০ গাড়ি পেঁয়াজ দরকার হয়। কিন্তু সরবরাহ করা হয় মাত্র ২০ থেকে ৩০ গাড়ি। সেক্ষেত্রে বাজারে ঘাটতি তো থাকবেই।’
 
আরও পড়ুন-নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনে আদালতে মির্জা আব্বাস

এদিকে অসাধু চক্রের কাছে জিম্মি ভোক্তারা। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও খুচরায় প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা থেকে ৬০ টাকায়। এছাড়া পেঁয়াজের প্রতি কেজি ঠেকেছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। 
 
বাজারে নিত্যপণ্যের দামে নাভিশ্বাস এক ক্রেতা বলেন, বাজারে পণ্যের দাম এত বেশি হওয়া ঠিক নয়। বর্তমানে আলুর দাম অনেক বেশি। আমরা কখনই আলু ৬০ টাকা কেজি দরে কিনিনি। তাছাড়া বাজারে সব পণ্যের যে দাম, এতে ঢাকা শহরে চলা অনেক কঠিন হয়ে উঠেছে।

এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর আলুর দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। সে সময়ে উৎপাদক পর্যায়ে প্রতি কেজি আলুর যৌক্তিক দাম ১৪ টাকা ১৭ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ২৭ টাকা ৬৩ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ৩৫ টাকা ৮৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত মূল্যে কোল্ড স্টোরেজ ও খুচরা কোনো পর্যায়েই আলু বিক্রয় করা হচ্ছে না।

এছাড়া দেশি পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ৬৪ টাকা থেকে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। কিন্তু তা বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি দামে।


 
এদিকে মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) দাম নিয়ন্ত্রণে হিমাগার পর্যায়ে নির্ধারিত মূল্যে আলু বিক্রি নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব কোল্ড স্টোরেজ থেকে সরকার নির্ধারিত দামে প্রতি কেজি আলু ২৬ থেকে ২৭ টাকায় বিক্রির সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সব জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়।
 
পাশাপাশি খুচরা পর্যায়েও সরকারনির্ধারিত দাম প্রতি কেজি আলু ৩৫ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। তবে বুধবার (১ নভেম্বর) এ নির্দেশনা কার্যকরের কথা বলা হলেও বাজারের চিত্র আগের মতোই।
 
এর আগে সোমবার কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আলুর কেজি কোনোভাবেই ৪০ থেকে ৪৫ টাকার বেশি হতে পারে না। আলুর দাম ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেন হবে? এক কেজি আলুতে যদি একজন ২০ থেকে ২৫ টাকা অতিরিক্ত খরচ করেন, কেন তিনি এটি করবেন? মানুষের ক্রয়ক্ষমতার চিন্তা করে আমরা আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছি। আমার মনে হয়, এতে তাদের উপকার হবে।’
 
তার আগে সোমবার (৩০ অক্টোবর) বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে ডিমের পর এবার আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আলু আমদানি না হওয়া পর্যন্ত দাম কমবে না।
 
আও পড়ুন-ভৈরবে পুলিশের ছোড়া টিয়ারগ্যাসে আহত চা দোকানির মৃত্যুর অভিযোগ
 
এ বিষয়ে এক আলু ব্যবসায়ী বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে যে আলু রয়েছে, তা কম দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়। আলু আমদানি না হওয়া পর্যন্ত দাম কমছে না। আমদানি হলে দাম কমবে।’
 
অন্যদিকে পেঁয়াজের চড়া দাম নিয়ে বিক্রেতারা জানান, পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে। ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেশি। পাইকারিতেই প্রতি কেজির দাম ১০৫ টাকা থেকে ১১০ টাকা। তাছাড়া দেশি পেঁয়াজের দাম আরও বেশি।

বাজারে অবরোধের প্রভাব না পড়লেও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দাম কিছুটা কমতির দিকে সবজির। কারওয়ানবাজারে বুধবার (১ নভেম্বর) প্রতি কেজি মূলা ৭০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, কুড়ি কচু ৯০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা ও ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

ইসময়/একে/এমআরএম