দিনাজপুরের হিলি বাজারে কাঁচামরিচের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচের দাম ২০ থেকে ৪০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২০০ টাকায় পৌঁছেছে। এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
আজ শনিবার (৩১ আগস্ট) বাজারে ঘুরে দেখা যায়, সবজি রান্নাসহ বিভিন্ন খাবারের অন্যতম প্রধান উপাদান কাঁচামরিচের দাম দিন দিন বাড়ছে। মাত্র কয়েকদিন আগে ১৬০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ বিক্রি হলেও এখন সেই দাম ২০০ টাকায় উঠেছে। এই দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতারা হতবাক।
মরিচ কিনতে আসা প্রসেনজিৎ বলেন, "বাজারে এসেছি সবজি কিনতে। পেঁয়াজ এবং আলু ছাড়া অন্য সবজির দাম মোটামুটি নাগালের মধ্যেই রয়েছে। তবে কাঁচামরিচের দাম কিছুতেই স্থিতিশীল হচ্ছে না। কখনো বাড়ছে কখনো কমছে। গত শনিবার প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা দরে কিনেছি। আর আজ কিনতে হলো ২০০ টাকায়।"
আরেক ক্রেতা মো. সজিবের অভিযোগ, "হিলি দিয়ে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি হওয়া সত্ত্বেও দাম কম থাকার কথা। কিন্তু আমদানিকারকরা কারসাজি করে দাম বাড়িয়ে দিয়ে বেশি লাভ করছেন। তা না হলে এত এত আমদানি হওয়া সত্ত্বেও দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে কিভাবে। আমি কয়েক সপ্তাহ আগে ৩৫০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ ক্রয় করি এবং কিছুদিন পর মূল্য কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে ১৬০ টাকায় নেমে আসে, আজ আবার ক্রয় করতে এসে দেখি ২০০ টাকা।"
কাঁচামরিচের এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা দাবি করছেন, কাঁচামরিচের দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
হিলি বাজারের মরিচ বিক্রেতা মো. সোহেল বলেন, "হিলি বাজারে বিক্রি হওয়া সব কাঁচামরিচই ভারত থেকে আমদানি করা হয়। বর্তমানে চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় বন্দর থেকে কাঁচামরিচ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতার কাছে দাম বেশী মনে হচ্ছে। সোহেল আরও বলেন, তারা যে দামে কাঁচামরিচ কিনেন, তার ওপর মাত্র ১০ থেকে ১২ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করেন।"