কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক গৃহবধুর আত্নহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই গৃহবধুর নাম নাজমা খাতুন (১৫)। রবিবার (১২ জানুয়ারি) উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের রেগুলেটর এলাকায় দুপুরের দিকে নাজমা তার বাবার বাড়িতে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্নহত্যা করে।
নাজমা খাতুন ওই ইউনিয়নের সালাম ইসলামের মেয়ে। কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং সি ব্লক এলাকার রাব্বি ইসলামের স্ত্রী। দু-পরিবারের সম্মতিতে ৭ মাস আগে বিয়ে হয় তাদের।
সরেজমিনে গেলে দেখা যাই, কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় নাজমা খাতুনের নিথর দেহ পড়ে আছে। প্রতিবেশীরা লাশের পাশে ভিড় জমিয়েছে। কি কারনে আত্নহত্যা করেছে ওই গৃহবধু তার কারণ কেওই বলতে পারেনি। প্রতিবেশীদের ভাষ্যে অনুযায়ী সপ্তাহখানেক আগে স্বামীর বাড়ি কুষ্টিয়ার হাউজিং সি ব্লক এলাকা থেকে বাবার বাড়িতে আসে নাজমা তবে কি কারনে আত্নহত্যা করেছে তা কেও জানেন`না।
এবিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোলায়মান শেখ জানান,গলায় দড়ি নিয়ে নাজমা খাতুন নামে এক গৃহবধুর আত্নহত্যার খবর পেয়েছি। তবে কি কারনে আত্নহত্যা করেছে তা জানা যাইনি।