সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : শেরপুর

রানীশিমুল শ্রমিক দলের নেতা মো: হারুনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ


মো: মোরাদ, শেরপুর প্রতিনিধি

eshomoy.com || 2025-08-10
রানীশিমুল শ্রমিক দলের নেতা মো: হারুনের বিরুদ্ধে জমি  দখলের অভিযোগ
চিত্র: খাশ খাতিয়ানভুক্ত জমিতে অবৈধ চায়ের দোকান

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের ভায়াডাংগা বাজারে সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে রানীশিমুল ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন মিয়ার বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারের ৪১ নম্বর দাগের জমি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত হলেও সম্প্রতি ওই জমি দখল করে সেখানে দোকানঘর নির্মাণ করেছেন তিনি। এ বিষয়ে বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভায়াডাংগা বাজারে খাস জমি দখল করে বিভিন্ন ব্যক্তি ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে শ্রমিক নেতা হারুন মিয়া প্রকাশ্যেই খাস জমির ওপর দোকানঘর তুলেছেন। এতে বাজারের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে, পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি হারানোর শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় এক  ব্যাক্তি  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  তিনি বলেন, আমরা বহু বছর ধরে শুনে আসছি যে ৪১ দাগের জমি সরকারের। কিন্তু এখন যেভাবে দখল হচ্ছে, ভবিষ্যতে আর ফেরত পাওয়া যাবে না। তার মতে, বাজারে জায়গার সংকট থাকলেও সরকারি জমি দখল করে ব্যক্তিগত ব্যবসা করা অন্যায় এবং আইনবিরোধী। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, খাস খতিয়ানের জমি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে বিক্রি বা ইজারা দেওয়া না হলে তা রাষ্ট্রের মালিকানায় থেকে যায় এবং অবৈধভাবে দখল করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের অভাবে এসব দখলদারি দিন দিন বেড়েই চলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. হারুন মিয়া কে কল দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এখনই যদি দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার না করা হয়, তবে ভবিষ্যতে বাজারের বেশিরভাগ সরকারি জমিই ব্যক্তিগত মালিকানায় চলে যাবে, যা জনস্বার্থের পরিপন্থী হবে। তারা দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এই বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ জাবের আহম্মেদ বলেন, সরকারি খাস জমি দখল সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইন অনুযায়ী দখলকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।