রংপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভাগীয় মহাসমাবেশে আলাদা আলাদা মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে রংপুরে এক ধরনের উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা নেচে গেয়ে রীতিমতো উৎসব পালন করছেন।
আরও পড়ুন- ক্ষমতায় থেকেও আয় কমেছে আওয়ামী লীগের, বেড়েছে বিএনপির
বুধবার (২ আগস্ট) সকাল ৯টায় নগরীর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনের গেট খুলে দেয়া হয়। এরপরই নেতাকর্মীরা হুমড়ি খেয়ে পড়েন ভিতরে প্রবেশের জন্য। এ সময় আরও চারটি গেটে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেকিংয়ের পর নেতাকর্মীরা জনসভায় প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছেন।

দুপুর ২টায় ঐতিহাসিক রংপুর জিলা স্কুল মাঠে জনসভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। বিকেল ৩টায় জনসভাস্থলে উপস্থিত হবেন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন- আওয়ামী লীগের কর্মীরাই পুলিশের পোশাকে হামলা করেছে : শহীদ উদ্দিন
এ দিকে রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই জনসভায় যোগ দিতে রংপুর বিভাগ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা একসাথে জড়ো হচ্ছেন। অনেকেই মঙ্গলবার (১ আগস্ট) গভীর রাতেই এসেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সু-শৃঙ্খলভাবে সভাস্থলে প্রবেশে নগরীর ২১টি পয়েন্টে করা হয়েছে গাড়ী পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। বাস, মাইক্রোবাস, কার, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ছাড়াও আটটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে মানুষের যাতায়াতের জন্য।
আরও পড়ুন- নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন : কামরুল
সংশ্লিষ্টরা জানান, আগত নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস চলছে। তারা নেচে গেয়ে রীতিমতো উৎসব মুখর পরিবেশ বজায় রাখছেন।

২৭টি সমাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, পাঁচটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ছাড়াও এই জনসভা থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, শ্যামাসুন্দরী খাল খনন, বন্ধ চিনিকল চালু করাসহ আরও উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা আসতে পারে বলে সাধারণ মানুষও অংশ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর এ সমাবেশে।
আরও পড়ুন- যতই বাধা আসুক, নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী: সেতুমন্ত্রী
কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খ ম আতাউর রহমান বিপ্লব জানান, প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে কুড়িগ্রামের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে আছে। উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে জনসভায় যোগ দিচ্ছেন সবাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কিছু চাইতে হয় না, তবুও কুড়িগ্রামবাসীর জন্য মেডিকেল কলেজ, কর্মসংস্থানের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ছোট ছোট শিল্প কলকারখানা করার দাবি রাখছি।

আরও পড়ুন- মানুষ সকালে আ. লীগ বিকালে বিএনপি : মোমিন মেহেদী
ই-সময়/আর.এম/এমআরএম