১৯৭৯ সালের ১৪ মার্চ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তারকারি বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন জার্মানিতে জন্ম গ্রহণ করে। আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের দুটি স্তম্ভের মধ্যে একটি হলো তার আপেক্ষিকতা তত্ত্ব। নোবেল জয়ী এই বিজ্ঞানী ছিলেন বেজায় ভুলোমনা। তবে ভুলোমনা হলেও এটাতো মানতেই হবে যে, তার মাথার তুলনা হয়না ।
এ কারণে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়েও গবেষণায় ও কম হয়নি। এখনো হচ্ছে। আলবার্ট আইনস্টাইন একবার ট্রেনে চড়ে কোথাও যাচ্ছিলে। নিয়ম অনুযায়ী টিকেট চেকার এসে টিকেট চাইলো, আইনস্টাইন আর টিকেট খুঁজে পান না। টিকেট চেকার আইনস্টাইনকে চিনতে পেরে বললেন, প্রফেসর আপনাকে আর খুঁজতে হবে ন। আমি জানি, আপনি নিশ্চয় টিকেট কেটেছে।
আইনস্টাইন ব্যাস্ত হয়ে বললেন না না টিকেট খুঁজতেই হবে, ওটা না পেলে আমি জন্য কিভাবে আমি কোথায় যাচ্চি ? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফরাসিদের সঙ্গে ইংরেজদের মারাত্মক রেষারেষি, একই রকম রেষারেষি ছিল জার্মানদের সঙ্গেও। জার্মানিতে সেসময় হিটলারের রাজত্ব। নাৎসিদের ইহুদী বিদ্বেষের জন্য আইনস্টাইন পালিয়ে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রে কিন্তু ইতিমধ্যে তার আপেক্ষিকতা তত্ত্ব নিয়ে সারা বিশ্বে তুমুল আলোড়ন শুরু হয়েছে।
আপেক্ষিক তত্ত্বের ব্যাপারে জার্মান আর ফ্রাঞ্চের কি মত ? তা নিয়ে আইনস্টাইনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর দিলেন আমার আপেক্ষিকতা তত্ত্ব যদি নির্ভুল প্রমাণিত হয় তাহলে জার্মানরা দাবি করবে আমি জার্মান আর ফরাসিরা বলবে আমি একজন বিশ্ব নাগরিক। কিন্তু ওটা যদি ভুল প্রমাণিত হয় তাহলে ফরাসিরা বলবে আমি জার্মান আর জার্মানরা বলবে আমি ইহুদি।
দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে ফেলা পারমাণবিক বোমায় মানবতা বিপর্যস্ত। জার্মান পদার্থবিদ আলবার্ট আইনস্টাইন ও এ নিয়ে দারুন শোকাহত। কিন্তু তার আবিষ্কৃত এ সূত্র নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব তখন ব্যাপক হৈচৈ। অনেকের মতে পৃথিবীর সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি মিলেছে। একদিন তার এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গেলে আইনস্টাইনের দিকে অবাক হয়ে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকে। তখন আইনস্টাইন ছেলেটির মাথায় হাত রেখে বলে গত কয়েক বছরে তুমিই একমাত্র ব্যাক্তি যে ঠিকভাবে আমাকে চিনতে পেরেছো এবং আমার সম্পর্কে সঠিক বর্ণনা দিতে পেরেছো।
আইনস্টাইনের এক সহকর্মী একদিন তার টেলিফোনে নম্বরটা চাইলেন, আইনস্টাইন কিছুক্ষন ভেবেটেবে নিয়ে এলেন একটি টেলিফোনে ডাইর। সহকর্মী বললেন আমিতো আপনার নম্বরটা চাইছি ,আইনস্টাইন বললেন সেটাইতো খুঁজছি। সহকর্মী ভীষণ অবাক। নিজের টেলিফোনে নাম্বারটাও মনে নেই আপনার। আইনস্টাইন বললেন তার আর দরকারটাই বা কি ? যেটা আপনি যেটা আপনি বইয়ে পাবেন সেটা মুখস্ত করে মাথা খাটাবেন কেন ?