সব সময় সব খানে


বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬

১ আশ্বিন ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : অর্থনীতি

১ ডিসেম্বর থেকে ক্রেতাদের কাছে পণ্যের নতুন দাম চায় বিজিএমইএ


নিজস্ব প্রতিবেদক

eshomoy.com || 2023-11-13 16:26:30
১ ডিসেম্বর থেকে ক্রেতাদের কাছে পণ্যের নতুন দাম চায় বিজিএমইএ

তৈরি পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়েছে মালিকপক্ষ। তাতে সায় দিয়েছে সরকারও। এবার নতুন মজুরি বাস্তবায়নের জন্য ক্রেতাদের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। সংগঠনটি চলতি বছরের ১ ডিসেম্বর থেকে ক্রেতাদের কাছে পণ্যের নতুন দাম প্রত্যাশা করছে।

সম্প্রতি আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনকে (এএএফএ) এক চিঠিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

চিঠিতে বলা হয়, দেশের পোশাক মালিকেরা নতুন মজুরি বাস্তবায়ন করবেন। সে জন্য ক্রেতাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। ১ ডিসেম্বর থেকে যেসব পণ্য জাহাজিকরণ করা হবে, নতুন মজুরির ভিত্তিতে তার মূল্য সমন্বয় করা প্রয়োজন। এ ছাড়া এখন থেকে যত ব্যবসায়িক চুক্তি করা হবে, তা এই নতুন ন্যূনতম মজুরির ভিত্তিতে করতে হবে।
 
আরও পড়ুন- মুন্সীগঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, দুদিন পর মরদেহ উদ্ধার
 
নতুন মজুরি বাস্তবায়নে ক্রেতাদের সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করে ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন ফারুক হাসান।
 
এএএফএর সভাপতি স্টিভেন ল্যামারের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে বিজিএমইএ সভাপতি জানান, এএএফএর সদস্যদের বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। যাতে তারা যথাযথ একাত্মতার সঙ্গে বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের বিষয়টি বিবেচনা ও তাদের সহযোগিতা করেন।
 
স্টিভেন ল্যামারের প্রতি ফারুক হাসানের অনুরোধ, তিনি যেন এএএফএর সদস্যদের বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেন, যেন তারা যথাযথ একাত্মতার সঙ্গে বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের বিষয়টি বিবেচনা ও সহযোগিতা করেন।
 
চিঠিতে আরও বলা হয়, পোশাক খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৩ দশমিক ৬৩ মার্কিন ডলার বা ১২ হাজার ৫০০ টাকা। শ্রমিকদের মোট মজুরি বেড়েছে ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।

এর আগে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ হয়। সেদিন বিকেলেই সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ মজুরির ঘোষণা দেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।


 
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই তৈরি পোশাক শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করছি। পূর্বের ৮ হাজার টাকা থেকে ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা হবে। এছাড়া তাদের জন্য বছরে ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট থাকবে।
 
এছাড়া শ্রমিকদের জন্য বেতন গ্রেড ৭টি থেকে কমিয়ে ৫টি নির্ধারণ করা হয়। শ্রমিকরা মোট বেতনের ৬৩ শতাংশ পাবেন বেসিক হিসেবে। পাশাপাশি প্রতিটি পরিবার পাবে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড।

আর শনিবার (১১ নভেম্বর) তৈরি পোশাক শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে নিম্নতম মজুরি বোর্ড।
 
এদিকে, ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার পর বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের দাম বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এএএফএ। বিশ্বখ্যাত পোশাক ব্র্যান্ড এইচঅ্যান্ডএম, গ্যাপসহ বিশ্বের এক হাজারেরও বেশি ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান এই সংগঠনের সদস্য। মূলত মজুরি বাড়ার ফলে ৫ থেকে ৬ শতাংশ বাড়তি উৎপাদন ব্যয় ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন- মদনে অবৈধভাবে সরকারি জলমহল ইজারা, নিচ্ছে না উপজেলা প্রশাসন কোন উদ্যোগ
 
বিষয়টি উল্লেখ করে এই বাড়তি ৫ থেকে ৬ শতাংশ উৎপাদন ব্যয় বাংলাদেশের পোশাক কেনার ক্ষেত্রে দেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে স্টিফেন লামার বলেন, ‘অবশ্যই।’ তিনি আরও বলেন, মজুরি বৃদ্ধিকে সমর্থন জানানোর জন্য এএএফএ দায়িত্বশীল ক্রয়পদ্ধতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিবছর ন্যূনতম মজুরি পর্যালোচনার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হয়েছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন তার জন্য বলা হয়েছে।

ইসময়/একে/এমআরএম