মিঠাপুকুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ, আটক ধর্ষককে সন্ত্রাসী কায়দায় ছিনিয়ে নিল তার সহযোগীরারংপুরের মিঠাপুকুরে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এসময় ধর্ষককে হাতেনাতে আটক করে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন স্থানীয়রা। পরে ধর্ষকের লোকজন সন্ত্রাসী কায়দায় বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে ধর্ষককে ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। তবে, আসামীরা এখনও গ্রেফতার হয়নি।
আরও পড়ুন- আবারও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করতে চায় বিএনপি : অ্যাড. কামরুল ইসলাম
ভুক্তভোগির পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের নিঝাল গ্রামের দরিদ্র কৃষক হামিদুল ও তার বন্ধু সাদেকুলসহ গত বুধবার রাতে পাশের আখিরা নদীতে মাছ ধরতে যান দুজনেই। হামিদুলের স্ত্রী (৩০) বাড়িতে ঘরে একা শুয়ে পড়েন। এ সময় মাছ ধরা বাদ দিয়ে কৌশলে স্বামী হামিদুলকে রেখে বন্ধু সাদেকুল ইসলাম ওই গৃহবধূর ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষককে হাতেনাতে ধরে ঘরে আটক করে রাখে স্হানীয়'রা। খবর পেয়ে পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ধর্ষকের লোকজন দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে ধর্ষককে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ধর্ষিতার স্বামী বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষক ও হামলা-ভাংচুরে নেতৃত্ব দেওয়া সাইদুল ইসলামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ওই গৃহবধূর স্বামী হামিদুল বলেন, ' সাদেকুল ইসলাম আমাকে রেখে ওষুধ খাওয়ার কথা বলে বাড়িতে যায়। কিন্তু তার বাড়িতে না গিয়ে আমার বাড়িতে যায়। সুযোগ বুঝে আমার ঘরে ঢুকে আমার স্ত্রীর মুখ চেপে ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তাকে খুঁজতে খুঁজতে আমি আমার বাড়িতে যাই, বাড়িতে গিয়ে আমার স্ত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পাাই ধর্ষক সাদেকুল'কে। স্ত্রীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে ধর্ষক সাদেকুলকে ঘরে ভিতর তালাবদ্ধ করে রাখে।' পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে তাকে সন্ত্রাসী কায়দায় বাড়িঘর ভাংচুর চালিয়ে ধর্ষক সাদেকুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যান সাইদুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা।
মিঠাপুকুর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, 'ধর্ষিতা গৃহবধূকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। আসামীরা পলাতক থাকায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। '

আরও পড়ুন- ছাত্রলীগের সমাবেশে শেখ হাসিনা
ইসময়/আরএম/এমআরএম