“আমরা হয়তো রকেটে রিফুয়েলিং-এর জন্য ডিপোতে যথেষ্ট জ্বালানি রাখতে পারবো এবং সৌরজগতের বাইরের দিকে যাওয়া-আসা করতে পারবো,” বলছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো স্কুল অফ মাইনসের ভূতত্ত্বের সহকারী অধ্যাপক কেভিন ক্যানন।
আরও পড়ুন - ১২ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা!
তার মতে চাঁদের সেসব জায়গায় বছরে ৯০% পর্যন্ত আলোকিত থাকে সেখানে মাটি থেকে অক্সিজেন বা অ্যালুমিনিয়াম প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য ভালো সৌরশক্তি পাওয়া সম্ভব।

মহাকাশের গভীরে ভ্রমণ বা চাঁদে বসবাস স্বপ্নের মতো মনে হলেও সেটাকে খুব দূরের কোনও কল্পনাও বলা যায় না। ২০২৫ সালে স্পেস এক্সে করে নাসার আর্টেমিস থ্রি মিশনের মধ্য দিয়ে প্রায় অর্ধশতক পর চাঁদে মানুষের অবতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যান্য সম্ভাব্য ব্যবহারযোগ্য খনিজ পদার্থ এবং ধাতু থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে যেগুলো আহরণ ও ব্যবহার করতে এবং মহাকাশচারীদের সেখানে থাকতে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে।
আরও পড়ুন - অ্যাপলে চাকরি পেতে কোন যোগ্যতা আবশ্যক, জানালেন টিম কুক
চাঁদের পানির উৎস নিয়েও বিজ্ঞানীদের আগ্রহ কম না। সে পানি আসতে পারে কোটি কোটি বছর আগে আগেয়গিরি থেকে, উল্কাপিণ্ড বা ধূমকেতু থেকে।
এছাড়া চীনের চ্যাংগ’ই-৪ রোভার চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে একটি বিশাল গর্তের প্রমাণ পেয়েছে , যেটা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা আরও জানতে আগ্রহী।
আরও অনেক প্রশ্নের উত্তর জানা বাকি। চন্দ্রযান-৩ সবে এই প্রশ্নগুলির উত্তর দেওয়ার শুরুটা করছে। আরও যত জানা যাবে, মানবজাতি ততই সামনের দিকে এক ধাপ করে এগোতে থাকবে।
ইসময়/ইস/এমআরএম