সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩০, ২০২৬

১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩০, ২০২৬
১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> মাদকের নেশায় বাবাকে হাতুড়ি দিয়ে মারধর, শেষ পর্যন্ত ছেলেকে আইনের হাতে তুলে দিলেন বাবা

>> উৎসবমুখর পরিবেশে সিরাজগঞ্জ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন

>> ফুলবাড়ীতে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকার চোরাচালানি মালামাল আটক

>> সিরাজগঞ্জে নকল থাই ডায়পার জব্দ ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

>> বকশীগঞ্জে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু

>> বকশীগঞ্জে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের কবর জিয়ারত ও দোয়া

>> দি লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিরে রোগীর গহনা চুরির অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে অস্বীকৃতি

>> এতিম শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ‘আত-তাকওয়া ফিশারিজ’-এর ৫ম বার্ষিক মাছ অবমুক্ত কর্মসূচি

>> ধুনটে ইটভাটার তালা ভেঙে ইট নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

>> সিরাজগঞ্জে আমবোঝাই ট্রাক খাদে, ব্যবসায়ী নিহত

আপনি পড়ছেন : টুরিজম

উল্টো দিকে বয়ে চলে চীনের এই নদী


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-08-23
উল্টো দিকে বয়ে চলে চীনের এই নদী
এই অনন্য দৃশ্য দেখতে নদীর দুই পাড়ে জমে যায় হাজারো দর্শনার্থী।

চীনের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ও মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সব সময়ই ভ্রমণপিপাসু ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের আকর্ষণ করে এসেছে। মহাপ্রাচীর থেকে শুরু করে পোড়ামাটির সৈন্যবাহিনীর মতো স্থাপনা প্রতিটি পর্যটন গন্তব্যেই আছে অনন্য অভিজ্ঞতার হাতছানি। তবে এসবের পাশাপাশি আরও একটি বিস্ময়কর প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে চীনের পূর্বাঞ্চলীয় চচিয়াং প্রদেশে অবস্থিত কিয়ানতাং নদীতে।

এই নদী বিখ্যাত তার ব্যতিক্রমধর্মী এক ঘটনার জন্য—নদীর পানি উল্টো দিকে অর্থাৎ, সাগরের দিক থেকে ভূমির দিকে প্রবাহিত হয়। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এই বিরল প্রাকৃতিক ঘটনা একেবারে বাস্তব। এই ঘটনাকে বলা হয় টাইডাল বোর (tidal bore), যা পৃথিবীর কিছু নির্দিষ্ট নদীতে দেখা গেলেও কিয়ানতাং নদীতে এটি সবচেয়ে নাটকীয়ভাবে ঘটে থাকে।

টাইডাল বোর মূলত একটি জোয়ার-সৃষ্ট ধাক্কা, যা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে উল্টো দিকে ঠেলে দেয়। এ ঘটনার জন্য কিছু ভৌগোলিক শর্ত থাকা জরুরি—নদীটি হতে হবে অগভীর এবং এই প্রক্রিয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো জোয়ারের তারতম্য, যা সাধারণত ছয় মিটারের বেশি হয়। ফানেল আকৃতির এই গঠন জোয়ারের শক্তিকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ফলে হঠাৎ করেই নদীতে পানির স্তর বেড়ে যায় এবং বিশাল বিশাল ঢেউ নদীর উজানের দিকে ধেয়ে যায়।

হাংজু শহরের কিয়ানতাং নদীতে জোয়ারের ঢেউ প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে এবং ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে অগ্রসর হয়। এই ঢেউয়ের গর্জন অনেক দূর থেকে, ঢেউ আসার ঘণ্টা দু-এক আগেই শোনা যায়। ঢেউ চলে যাওয়ার পরও নদীর পানি দীর্ঘ সময় ধরে উঁচু অবস্থায় থাকে।

এই প্রাকৃতিক বিস্ময়কে স্থানীয়ভাবে বলা হয় ‘রৌপ্য ড্রাগন’ বা সিলভার ড্রাগন। এটি প্রতি পূর্ণিমাতেই ঘটে, তবে শরতের সময় এটির তীব্রতা ও দৃশ্যমানতা সবচেয়ে বেশি হয়। এই অনন্য দৃশ্য দেখতে নদীর দুই পাড়ে জমে যায় হাজারো দর্শনার্থী।

এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘিরে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত হয় শতাব্দী প্রাচীন উৎসব। প্রতিবছর এই উৎসবে অংশ নিতে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ পর্যটক ছুটে আসেন চীনের চচিয়াং প্রদেশের এই এলাকায়।