লাগেজের পাশে ম্যাচিং করা পোশাকে যিনি মরে পড়ে আছেন ,তিনি একজন সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার।আর কয়েক কিলোমিটার সামনেই স্বপ্নের কক্সবাজার, যাওয়া হলো না তাদের।
সাথে মৃত্যু হলো একমাত্র মেয়ের। তার স্ত্রী ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহত স্ত্রী বর্তমানে চিকিৎসাধীন,স্ত্রী আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে লড়ছে।
দোষ কার? মারসা গাড়ির? নিজের ড্রাইভের? নাকি নসিবের? নাকি সরকারের? নাকি রাস্তার?
যে
রাস্তায় গাড়ি আসা যাওয়া করে ৬৩ জেলা থেকে, যে রাস্তায় পরিবহন হয় দেশের ৯০% উৎপাদিত লবণ। যে রাস্তার ট্রাফিক লোড ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের চেয়ে কোন অংশে কম না।
আর
কত মৃত্যুর যোগ হলে এই সড়ককে আধুনিক, যুগোপযোগী ৬ লেনের রাস্তা বানানো হবে? দেওয়া হবে সড়ক বিভাজক?
পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করছেন। এই দুর্ঘটনায় এলাকার মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।