সব সময় সব খানে


শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

আপনি পড়ছেন : শরীয়তপুর

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি সার বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে


eshomoy.com || 2024-06-25
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি  সার বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের চরকুমারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কৃষকদের মধ্যে বিনা মূল্যে বিতরণের জন্য রাখা সার বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে একটি নছিমন করে ৩০ বস্তা ইউপি কার্যালয়ের বাইরে বের করে আনা হয়। পরে সেগুলো স্থানীয় বাজারের একটি দোকানে বিক্রি করে দেওয়ার সময় স্থানীয় মানুষেরা তা আটকে দেন।

এর জেরে ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোল্যার সমর্থকদের সঙ্গে স্থানীয় মানুষদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি তদন্তে দুই সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা প্রশাসন।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কৃষকদের পাট উৎপাদনে উৎসাহিত করতে পাট অধিদপ্তর কৃষকদের বীজ ও সার বিনা মূল্যে বিতরণের উদ্যোগ নেয়। চলতি মৌসুমে চরকুমারিয়া ইউনিয়নের ৩০০ কৃষকের জন্য বীজ ও সার বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রত্যেক কৃষককে ইউরিয়া সার ৬ কেজি, টিএসপি ৩ কেজি ও এমওপি সার ৩ কেজি করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। পাট বপনের সময় শেষ হওয়ার পরও এসব সার ও বীজ কৃষকদের দেওয়া হয়নি।

গতকাল দুপুরে ৩০ বস্তা সার ইউনিয়ন পরিষদ ভবন থেকে নছিমনে করে বিক্রির জন্য স্থানীয় মোল্যার বাজারে নেওয়া হয়। ওই বাজারের ব্যবসায়ী মোশারফ ফকিরের দোকানে সার বিক্রির সময় তা স্থানীয় মানুষেরা আটকে দেন। অবস্থা বেগতিক দেখে ব্যবসায়ী মোশারফ ফকির ও নছিমনচালক মনির মোল্যা পালিয়ে যান। তখন স্থানীয় মানুষেরা ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও)ঘটনাটি মুঠোফোনে অবহিত করেন।

এ ঘটনার জের ধরে বিকেলে ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হকের সমর্থক ও স্থানীয় মানুষদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ওই

সময় আতঙ্কে মোল্যার বাজারের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় মোল্যার বাজারের বাসিন্দা ফয়সাল মোল্যা বলেন, সোমবার দুপুরে ইউপি ভবন থেকে একটি নছিমনে বোঝাই করে সার নিয়ে বাজারের ভেতরে একটি দোকানে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছিল। ওই ঘটনা স্থানীয় মানুষেরা ভিডিও করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার দেন। তাঁরা তা দেখে বাজারে ছুটে আসেন। পরে চেয়ারম্যানের সমর্থকেরা তাঁদের ওপর চড়াও হন।

এ বিষয়ে চরকুমারিয়া ইউপির চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোল্যার মুঠোফোনে কল করা হয়। একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন ধরেননি। খুদে বার্তা দিলেও তাতে তিনি সাড়া দেননি।

তবে ইউপির সচিব আলমগীর হোসেন বালা বলেন, 'আমি প্রশিক্ষণে উপজেলা সদরে ছিলাম। দুপুরের দিকে চেয়ারম্যান আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, সার নিয়ে এলাকায় কিছু একটা ঝামেলা হয়েছে। বেশি কিছু তিনি বলতে রাজি হননি।'

এর এদিকে কৃষকের প্রণোদনার সার তাঁদের না দিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগের ঘটনা তদন্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসন দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা ওই কমিটির সদস্য।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, চরকুমারিয়ার কৃষকদের প্রণোদনার সার ও বীজ ঈদের আগে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কেন তাঁরা এখনো কৃষকের মধ্যে তা বিতরণ করেননি, বুঝতে পারছেন না। তদন্ত করার পর বলা যাবে প্রকৃত ঘটনা কী!