জেলার সলঙ্গায় পুলিশের হাতে আটক ছেলে ফিরে আসতে দেরি হওয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন মা সুফিয়া (৫৫) খাতুন।
এলাকাবাসী জানান -শনিবার গভীর রাতে সলঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক আমির আলী ক্ষুদ্রশিমলা গ্রামের শামসুল হকের ছেলে এরশাদ (৩০) কে আটক করে। রবিবার সকালে থানা পুলিশ এরশাদকে ১৫১ ধারায় আদালতে হাজির করেন। বিজ্ঞ আদালত এরশাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতের কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরতে দেরি হচ্ছিলো এরশাদের।
আরও পড়ুন-মুগদা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগের নির্দেশদাতা ও তার সহযোগীসহ গ্রেফতার ০২
এদিকে ছেলের জন্য বাড়ির উঠোনে অপেক্ষা করছিলেন মা সুফিয়া খাতুন। সন্ধ্যা হলেও ছেলে এরশাদ ফিরে না আসায় বিলাপ করতে থাকেন।বিলাপের এক পর্যায়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।প্রতিবেশিরা জানান, ছেলে বাড়িতে ফেরার অপেক্ষায় সুফিয়া বাড়ির উঠানে বসেছিল। সন্ধ্যা নাগাদ ছেলে ফিরে না আসায় বাবা তাড়িতাড়ি আয় বলে বিলাপ করতে করতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সুফিয়া খাতুন।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাক জানান, নাশকতা মামলার আসামি ধরতে এসে এরশাদকে সন্ধেহ মূলক ভাবে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। অথচ এরশাদ একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই।
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হিরো বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নাশকতা মামলার আসামি ধরতে এসে সন্দেহজনক এরশাদকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। ওর বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না।
আরও পড়ুন-পটুয়াখালীতে প্রতিবন্ধির জমি মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে দলিল নিল, ভূমিখেকো বাহাদুর মৃর্ধা!
সলঙ্গা থানার ওসি এনামুল হক বলেন, নাশকতা মামলায় আসামি ধরতে সেখানে পুলিশ অভিযান চালায়। কিন্তু এরশাদের কারণে এক আসামি পালিয়ে যায়। এ কারণে তাকে আটক করে ১৫১ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
ইসময়/একে/এমআরএম