খুব শীঘ্রই সবকিছু থেমে যাবে। সব!
দ্রুত গতির এ্যাম্বুলেন্স, রাস্তার কোলাহল
সবকিছু থেমে যাবে।
থেমে যাবে সুতো ছাড়া পাগলা ঘুড়ি।
পাখিরা শূন্যে আটকে যাবে।
আকাশপথে থেমে যাবে জাপানগামী বিমান।
মহাকাশে থেমে যাবে ছুটে চলা রকেট,
শিশুদের হৈ-হুল্লোড় থেমে যাবে।
নিক্ষেপ করা মার্বেল তার টার্গেট স্পর্শ করবে না।
জেলের জাল আর পানি পর্যন্ত পৌঁছাবে না।
সবকিছু থেমে যাবে। একদম সব!
থেমে যাবে বয়ে চলা রক্তের ধারা,
হৃদপিন্ডের লাব ডাব শব্দ।
কিংবা অনাগত শিশুর হৃৎস্পন্দন।
অপারেশন থিয়েটার বন্ধ করে দিয়ে
ডাক্তাররা নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে।
থেমে যাবে সকল স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র।
থেমে যাবে সব যুদ্ধ।
বন্দুক হতে আর বেরুবে না বুলেট।
অস্ত্র কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে।
থেমে যাবে সব উৎসব, উল্লাস
কিংবা শিল্পীর মঞ্চ মাতানো গান।
থেমে যাবে সবকিছু। একদম সব!
থেমে যাবে ঘড়ির টিকটিক শব্দ
পৃথিবীর মহা ব্যস্ততা,
থেমে যাবে আহ্নিক ও বার্ষিক গতি।
সব থেমে যাবার পর
যদি কোনো হোমোস্যাপিয়েন্স প্রাণীর
মস্তিষ্ক চলতে থাকে।
আর সেই একমাত্র প্রাণিটা যদি আমি হই।
তখনও আমার মস্তিষ্কজুড়ে তুমি রবে।
চিন্তার প্রধান বিষয়, 'তোমার চলে যাওয়া'।
এইচ.এম.হৃদয় হাসান মুন্না
শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।