হাতিয়া নলচিরা ঘাটে পন্যবাহী জাহাজ থেকে অবৈধ ভাবে তেল চুরির অভিযোগ কতিপয় বিএনপি নেতাদের।
জানা গেছে হাতিয়া নলচিরা ঘাট যা মেঘনা নদীর মোহনা, এ মোহনা দিয়ে চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশের সকল রুটে
বিভিন্ন রুটে পন্যবাহী জাহাজ এবং তেলের জাহাজ চলাচল করে। আওয়ামী শাসনামলে এ হাতিয়া চ্যনেলে প্রতিদিন জাহাজ
যাতায়াতের পথে এখানে বিশ্রাম নিতো, তখনকার আমলের হাতিয়ার নেতা মুহিন মোঃআলীর নির্দেশে এ জাহাজগুলো থেকে
রাতের বেলায় অবৈধভাবে রাজনৈতিক প্রভাব খাদিয়ে তেল চুরি করতো। তার বড় একটা অংশ যেত মোঃ আলীর - এম আলী কর্পোরেশন এর
একাউন্টে। বাকি অংশ আওয়ামী লীগের নেতার ভাগ ভাটোরা করে নিতো। গত ০৫ আগষ্ট হাসিনা সরকার পদত্যাগের পর
মোঃ আলী ও আয়েশা আলীর পরিবার গা ঢাকা দিলে, এ ঘাট তথা চ্যানেলটি শূন্য হয়ে পড়ে।। এই শূন্যস্হান পূরনের জন্য
বর্তমানে বিএনপির একটা অংশ এ ঘাটটি দখলে নেয় এবং প্রতিনিয়ত তারা অবৈধ ভাবে তেল চুরি করে জাহাজ গুলো থেকে।
এবিষয়ে হাতিয়া থানার প্রশাসন কোন কথা বলতে রাজি নয়।।
হাতিয়া আফাজিয়া ঘাটে আগে এই অবৈধ তেলের ব্যবসা নিয়ন্ত্রন মহিউদ্দিন মুহিন সহ সাজেদ গ্যাং ও বেশ কয়েকজন মেম্বার।হাতিয়ার সচেতন যুবকরা ফেইসবুকে এ বিষয়ে লিখলে তারা ঐসকল পোস্টে গালিগালাজ করতো তারাও একটা পকেট খরচ পেতো এই তেলের ব্যবসা থেকে।মোঃ আলীকে আটক করার আগে পরে আওয়ামীলীগের এ টিমের অনেকে গা ঢাকা দিলেও বি টিম কিন্তু এখন মাঠে সক্রিয়!
যে সক্রিয়তার কারণে আফাজিয়া ঘাটের অবৈধ তেলের ব্যবসাটা এখনো ঠিকঠাক চালু রয়েছে! অভিযোগ আছে বি-টিম এবং এ-টিম লেয়াজু মেইনটেইন করে অদৃশ্য শক্তির সহযোগীতায় ব্যবসাটা চালিয়ে যাচ্ছে!বর্তমানে সাজেদ গ্যাংদের সরাসরি উপস্থিতি না দেখা গেলেও সাজু,আতিক,আশিক,শাহেদ,
আজিম,ওবায়েদ সহ বেশ কয়জনকে তেলের ব্যবসাটি তদারকি করতে দেখা যায়।অভিযোগ আছে উল্লেখিত ব্যক্তিরা বি-টিমের সক্রিয় লাঠিয়াল বাহিনী!
বিস্তারিত আরোও আসছে.........