বাবু কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার একজন শিক্ষক এবং ইত্তেফাক পত্রিকার হাতিয়া উপজেলার সাংবাদিক। তিনি খুব সম্মানিত একজন মানুষ বটে। কিন্তু বিগত আওয়ামী শাসনামলে হাতিয়ার সাবেক এমপি আয়েশা আলী ও মোঃ আলীর শাষনামলে তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ এর ০৫ ই আগষ্ট এর পূর্ব পর্যন্ত তার সাংবাদিকতার অপব্যবহার ও রাজনৈতিক ভাবে প্রভাব খাটিয়ে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষকদের বদলি এবং ডিও লেটারের দোহায় দিয়ে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। কৃষ্ণ চন্দ্র হাতিয়ার গডফাদার মোঃ আলীর ডান হাত ছিলেন। হাতিয়ার সকল প্রকার প্রাইমারী স্কুল এর পিয়ন নিয়োগে জন প্রতি ৫লাখ - ৬ লাখ, শিক্ষকদের বদলিতে জন প্রতি ৫০ হাজার এমনকি টাইম স্কেল মেশিনে ও রয়েছে আত্মসাৎ। ছাত্র- ছাত্রী দের জন্য বরাদ্দকৃত গাইড "মেঘদূত " এখানেও রয়েছে আত্মসাৎ। এখানেই শেষ নয় কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারকে অর্থ আত্মসাৎ এর কাজে সহযোগিতা করতেন নেজুগুলিয়া খাসেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অরবিন্দ পাল।
ই- সময়ের হাতে আরোও তথ্য এসেছে যার মধ্যে - এই কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার এর একটি গোপন সংগঠন আছে যার মূল হলো কৃষ্ণ চন্দ্র, তার সহযোগী ছিলেন- ইকবাল হোসেন ( প্রধান শিক্ষক- আলেয়া মডেল সঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়) সহকারী শিক্ষক অরবিন্দ পাল (খাসেরহাট সঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়) এবং শিক্ষা অফিসার মোসলেহ উদ্দিন এবং শিক্ষা অফিসের একাউন্টস সহকারী মিরাজ, হিসাব বিভাগের সোহরাব এবং এমপির পিএস কনক মজুমদার।
প্রথমে অরবিন্দ পাল সিস্টেমে শিক্ষকদের গোপনীয়তা জেনে সেখানে আঘাত করতো তারপর সরলতার সুযোগে অরবিন্দ পাল ঐ শিক্ষকদের থেকে টাকা দাবী এবং আদায় করে তা কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার এর নিকট জমা দিলে - কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার ঐ টাকার একটা অংশ অরবিন্দ পাল কে,একটা অংশ নিজে, একটা অংশ শিক্ষা অফিসে জমা দিয়ে বাকি টাকা কনক মজুমদার এর মারফতে বড় হুজুর খ্যাত সাবেক এমপি মোঃ আলীর ভান্ডারে জমা হতো। প্রতিষ্ঠানের জন্য বায়োমেট্রিক মেশিন ৭৫০০/- টাকা হলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তা প্রতি প্রতিষ্ঠান ক্রয় করতো ২০০০০/- ধরে।
এমন দূর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার এর ধারাবাহিক পর্ব ০২ এ দেখবেন আরোও ভয়াবহ তথ্য।