সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

আপনি পড়ছেন : নোয়াখালী

জাহাজমারা উচ্চ বিদ্যালয়এর সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব মাঈনুদ্দিন খোকন এর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নিয়োগের অভিযোগ


আরিফুল ইসলাম ফারহান।

eshomoy.com || 2024-09-16 ৯ঃ৩০
জাহাজমারা উচ্চ বিদ্যালয়এর সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব মাঈনুদ্দিন খোকন এর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নিয়োগের অভিযোগ

জাহাজমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব মাঈনুদ্দিন খোকন।  তার বিরুদ্ধে উঠে এসেছে অনৈতিক সব কর্মকান্ড।  অবৈধ ভাবে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জাহাজমারা উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনি সহঃ প্রধান শিক্ষক এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ হাতিয়ে নেন।


জানা গেছে তিনি সাবেক এমপি মোঃ আলীর নির্দেশে নাম মাত্র লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে এই পদ হাতিয়ে নেন। জাহাজমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আবু সোলাইমান স্যারকে হুমকি দিয়ে এবং তৎকালীন গভর্নিং কমিটির সভাপতি জাহাজমারা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান এড. মাসুম বিল্লাহ জনাব মাঈনুদ্দিন খোকনকে এ পদে বসান।


আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোকে এমন এক জায়গায় পৌঁছিয়েছেন- যেখানে শিক্ষার কোন কিছুই লাগেনা শুধুমাত্র ক খ পড়তে পারলেই হয়। জানা গেছে মাঈনুদ্দিন খোকন তিনি ভালো করে ক্লাস সিক্সের ইংরেজি বইও পড়াতে পারেন না।


বাংলা পড়াতেও ওনার কষ্ট হয়। তাহলে তিনি কিভাবে এতবড় একটা পদ হাতিয়ে নিলেন? রাজনৈতিক প্রভাব এবং ক্ষমতার অপব্যবহারই মূল।  খোকন সাহেবের নিয়োগের সময় বর্তমান জাহাজমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আবু সোলাইমান স্যার সহ অন্যান্য শিক্ষকরা ওনার লিখিত পরীক্ষার পত্র দেখে বিরোধ করলে তাদেরকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করে। জনাব সোলাইমান স্যার সহ কিছু শিক্ষক কে আওয়ামী পন্থী কিছু শিক্ষক বার বার অপমান করে।


কিন্তু তৎকালীন গভর্নিং কমিটির সভাপতি এবিষয়ে কোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন না করে, উল্টো সোলাইমান স্যারকে অপমান করার অনেক প্রমান আমাদের কাছে এসেছে। এই জাহাজমারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০১১ সালের আগে কোন রাজনৈতিক প্রভাব ছিলোনা। কিন্তু ২০১১ সালের পর পুরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনিতি ডুকিয়ে এরকম একটি নামকরা প্রতিষ্ঠান কে সমাজের কাছে ছোট করার অভিযোগ রয়েছে।


মাঈনুদ্দিন খোকন সাবেক এমপি মোঃ আলী এবং জাহাজমারা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান সাবেক এড.মাসুম বিল্লাহকে ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ পদটি হাতিয়ে নেন।। শিক্ষক হিসেবে খোকনের কোন এক্সপেরিয়েন্স না থাকলেও ছাত্র ছাত্রীদেরকে উসকানি এবং নানা ধরনের কুকর্ম পদানে তার এক্সটা জ্ঞান আছে।


এ বিষয়ে জাহাজমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আবু সোলাইমান স্যারের সাথে কথা বললে তিনি জানান আওয়ামী লীগ এর আমলে সাবেক এমপি মোঃ আলীর নির্দেশে খোকনকে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সিস্টেমেটেকলী সব ঠিক রাখলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একজন অনুপযুক্ত শিক্ষক কে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে।   খোকন সহকারী শিক্ষক হিসেবেও নিয়োগ হয়না সেখানে প্রধান শিক্ষক। এবিষয়ে ঐ স্কুলের আরোও কয়েকজন শিক্ষকের সাথে কথা বললে তারা জানান ওনাকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সাবেক চেয়ারম্যান ও গভর্নিং কমিটির সভাপতি এড.মাসুম বিল্লাহ এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি। 


জাহাজমারা ইউনিয়ন এর শিক্ষানুরাগী অনেকের সঙ্গে কথা হলেও সবার একটাই কথা জাহাজ মারা উচ্চ বিদ্যালয় একটা নামকরা প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের বিগতদিনের অনেক ছাত্র ছাত্রী রা বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেক নামীদামী জায়গায় আছে - এমন একটা প্রতিষ্ঠানে এমন শিক্ষক থাকাটা শিক্ষাকেন্দ্রকে হুমকিতে ফেলানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সকলের ভুমিকা চান এবং রাজনৈতিক মুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চান সকলে।