এনজিও কর্মীর বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা, বিজ্ঞ আদালতে মামলা
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
eshomoy.com || 2024-06-23
ঠাকুরগাঁওয়ে বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন নয়ন রনি (৩০) নামের এক ভুক্তভোগী এনজিও কর্মী।
রোববার (২৩ জুন) সকাল ১১ টায় ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল আদালতে তিনি এই মামলা দায়ের করেন। এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও থানায় মামলা দায়ের করতে যান। নয়ন রনি জেলার রায়পুর ইউনিয়নের ফুটানি বাজার সংলগ্ন মোলানি চুনিহারি এলাকার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাসেদের ছেলে এবং আগামীর স্বপ্ন সমবায় সমিতির মাঠকর্মী।
এ ঘটনায় এজাহারে উল্লিখিত আসামীরা হলেন, জেলার দেহন বাজার এলাকার মৃত দবির উদ্দীনের ছেলে কামরুল হাসান (৫০), বাবলু (৬০) ও ফিরোজ হাসান (৪০), মৃত নাজিমের ছেলে তোফাইল হোসেন (৪৭), ডিকার ছেলে মাহিন (২৫) এবং একই এলাকার জগ বর্মন (৪৫)। এছাড়াও বাকীরা হলেন বিষ্ণুপুর এলাকার তসলিম উদ্দীনের ছেলে মানিক (৪০) সাইদুলের ছেলে আলমগীর (২৫), দেবারুর ছেলে বাকাই (৩৫) ও একই এলাকার জসিম (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৬ জুন) রাতে প্রতিদিনের মতো নয়ন রনি কাজ শেষে বাড়ি ফেরেন। এরপর রাতের খাওয়া শেষে নয়ন রনি ঘুমিয়ে পড়লে, রাত ১১ টায় ছয় থেকে সাতটি মোটরসাইকেলে বেশ কয়েকজন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে আসেন। এসময় তারা নয়নের বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে এসে বাড়ির দরজা,জানালা ও গ্রিল হকিস্টিক দিয়ে ভেঙ্গে ফেলেন। পরে নয়ন ও তার পরিবার ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। এসময় ডাকাত দলের সদস্যরা দ্রুত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান।
এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, ডাকাত সদস্যরা পালিয়ে যাওয়া সময় ভুক্তভোগী ও প্রতিবেশীরা বৈদ্যুতিক আলোয় ডাকাতদলের বেশ কয়েকজন সদস্যকে চিনতে পারেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ঠাকুরগাঁও থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য মামলা না নিয়ে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন।
ভুক্তভোগী নয়ন রনি বলেন,এই ঘটনায় সদর থানায় এজহার দায়ের করতে আসি।মামলার এজহার গ্রহণ না করে বিজ্ঞ আদালতে মামলার পরামর্শ দেন।রবিবার(২৩/০৬/২৪ ইং) তারিখে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হয়ে ১০ জন আসামি ও ৬ জন স্বাক্ষী উপস্থিত রেখে ন্যায় বিচারের দাবিতে মামলা দ্বায়ের করি।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ও তার পরিবার ন্যায় বিচার দাবি করেছেন।